Wednesday, June 14, 2017
Tuesday, June 13, 2017
জগতখ্যাত ইমামগনের তালিকা ও তাদের লিখিত তফসীর, হাদিসগ্রন্থ ও হাদিসের ব্যাখ্যাগ্রন্থ সমুহ এক নজরেঃ
শুধু কি সিহাহ সিত্তার ইমামগন ছাড়া আর কোন নির্ভরযোগ্য কিতাব নেই? উত্তর: অসংখ্য নির্ভরযোগ্য কিতাব রয়েছে। তাদের নাম :-
হাদিস শাস্ত্রের বিখ্যাত ইমামগন :
★ ইমাম আবু হানীফা [নুমান ইবনে সাবিত] : ৮০-১৫০ হি:
★ ইমাম মালেক : ৯৫-১৭৯ হি:
★ ইমাম আবু ইউছুফ [ইয়াকুব ইবনে ইব্রাহীম ইবনে আনসারী] : ১১৩ - ১৮২ হি:
★ ইমাম মুহম্মদ শায়বানী [আবু আব্দুল্লাহ ইবনে হাসান ইবনে ফিরকাদ কুফী] : ১৩২/১৩৫-১৮৯ হি:
★ ইবনে জা'আদ [আবুল হাসান আলী ইবনে জা'আদ ইবনে উবাইদী জাওহারী] : ১৩৩-২৩০ হি:
★ ইমাম তায়ালসী [আবু দাউদ সুলায়মান ইবনে দাউফ জারুদ] : ১৩৩-২০৪ হি
★ হাকিম তিরমিজি [আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে হাসান ইবনে বশীর] : জন্ম ১৩৩-১৪৩ হি: ওফাত ২৫৫ হি:
★ ইমাম ইবনে সা'দ [আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ] :১৬৮-২৩০ হি:
★ সা'ইদ বিন মানসুর [আবু ওসমান খোরাসানী] : ওফাত ২২৭ হি:
★ ইমাম শায়বানী : ৭৪৯/৭৫০-৮০৫ AD
★ আব্দুল্লাহ বিন মুবারক [আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াদ্বেহ আল-মারওয়াযী] : ১১৮-১৮১ হি:
★ ইমাম আব্দুর রাজ্জাক [আবু বকর ইবনে হুম্মাম ইবনে নাফে সুনআনী] : ১২৬ - ২১১ হি :
★ ইমাম শাফেয়ী [আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রীস ইবনে আব্বাস ইবনে ওসমান ইবনে শাফেয়ী কারশী ] : ১৫০-২০৪ হি:
★ ইমাম আহমদ বিন হাম্বল : ১৬৪-২৪১ হি:
★ ইমাম তায়লাসী : ওফাত- ২০৪ হি:
★ ইমাম হুমায়দী : ওফাত ২১৯ হি:
★ ইমাম ইবনে আবী শায়বাহ [আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহীম ইবনে ওসমান কুফী] : ১৫৯ - ২৩৫ হি:
★ আবদু ইবনে হুমাইদ [আবু মুহাম্মদ ইবনে নসর আল-কাসী] : ওফাত ২৪৯ হি:
★ ইমাম দারিমী [আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান] : ১৮১- ২৫৫ হি:
★ ইমাম বুখারী [আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল বুখারী] : ১৯৪-২৫৬ হি:
★ ইমাম আবু হাতিম (রহ) [১৯৫-২৭৭ হি: যিনি ৩ লক্ষ হাদিসের হাফিজ ছিলেন]
★ ইমাম আবু দাউদ [সুলাইমান ইবনে আসআছ সাজিসতানী] : ২০২-২৭৫ হি:
★ ইমাম মুসলিম [মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ আল-কুশাইরি] :২০৪/২০৬ -২৬১ হি:
★ ইমাম তিরমিযী [আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে সওরাহ ইবনে মুসা] : ২১০- ২৭৯ হি:
★ আবু ই'য়ালা [আহমদ ইবনে আলী ইবনে মুসান্ন ইবনে ইয়াহহিয়া ইবনে ঈসা ইবনে হেলাল মুসিলী] : ২১০-৩০৭ হি:
★ বাযযার : ইমাম আবু বকর আহমদ ইবনে ওমর ইবনে আব্দুল খালেক বসরী : ২১০-২৯২ হি:
★ ইমাম ইবনে মাজাহ [আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ কাযভীনি] : ২০৯ - ২৭৩ হি:
★ ইমাম আবি আছিম [আবু বকর আহমদ ইবনে আমর দাহহাক ইবনে মুখাল্লাদ শায়বানী] : ২০৬-২৮৭ হি:
★ ইমাম আবু বকর আহমদ ইবনে ওমর ইবনে আব্দুল খালেক বসরী : ২১০- ২৯২ হি:
★ হুমাইদী [আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর] : ওফাত ২১০ হি:
★ ইবনে হিব্বান [আবু হাতেম মুহাম্মদ ইবনে হিব্বান ইবনে আহমাদ ইবনে হিব্বান] : ২৭০-৩৫৪ হি:
★ ইমাম নাসায়ী [আহমাদ ইবনে মাআ'ঈব] : ২১৫-৩০৩ হি:
★ ইমাম তাবারী [আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে জারির ইবনে ইয়াজিদ] :২২৪-৩১০ হি:
★ ইমাম রুইয়ানী [আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে হারুন] : ওফাত ৩০৭ হি:
★ ইমাম ইবনে খুযাইমাহ [আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক] : ২২৩ - ৩১১ হি:
★ ইমাম ত্বাহাবী : ২২৯- ৩২১ হি:
★ ইমাম তাবরানী [আবুল কাসেম সুলাইমান ইবনে আহমদ ইবনে আইয়্যুব] : ২৬০- ৩৬০ হি:
★ ইবনে কানে'ঈ [আবুল হোসাইন আব্দুল বাকী] : ২৬৫-৩৫১ হি:
★ দারে কুতনী [আবুল হাসান আলী ইবনে ওমর ইবনে আহমদ ইবনে মাহদী মাসউদ ইবনে নু'মান] : ৩০৬-৩৮৫ হি:
★ ইমাম হাকিম [আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল হাকিম নিশাপুরী] : ৩২১-৪০৩/৪০৫ হি: (আল- মুস্তাদরিক এর প্রনেতা)
★ সিরাজী : [আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুসা] : ৪০৭ হি:
★ ইমাম ইবনে হিব্বান : ৩৫৪-৪৬৫ হি:
★ ইমাম হাকিম : ৩২১-৪৫০ হি:
★ ইবনে আব্দুল বার [আবু উমর ইউসুফ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ] : ৩৬৮-৪৬৩ হি:
★ ইমাম খতিব আল বাগদাদী [আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত ইবনে আহমাদ ইবনে মাহদী ইবনে সাবিত] : ৩৯২-৪৬০/৪৬৩ হিঃ
★ ইমাম বায়হাকী [আবু বকর আহমদ ইবনে হোসাইন ইবনে আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুসা] : ৩৮৪- ৪৫৮ হি:
★ ইমাম আবু নুয়াইম আল ইস্পাহানী [আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে ইসহাক ইবনে মুসা ইবনে মেহরান ইসবাহানী] : ৩৩৬-৪৩০ হি:
★ কদ্বায়ী : [আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে সালামাহ ইবনে জাফর ] : ওফাত ৪৫৪ হি:
★ দায়লামী [আবু সুজা শেরওয়াই ইবনে শহরদার ইবনে শেরওয়াই হআমদানী] : ৪৪৫-৫০৯ হি:
★ ইমাম বাগবী : আবু মুহাম্মদ হুসাইন ইবনে মাসউদ ইবনে মুহাম্মদ : (মিশকাত এর প্রনেতা) [৪৩৩/৪৩৬ - ৫১৬ হি:]
★ ইবনে আসাকির : ৪৯৯-৫৭১ হি:
★ ইমাম আবুল ফারাহ আল্লামা ইবনে জাওজী : ৫০৮-৫৯৭ হি:
★ মনযুরী [আবু মুহাম্মদ আব্দুল আব্দুল আজীম ইবনে আব্দুল কাভী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনে সা'দ] : ৫৮১-৬৫২ হি:
★ খাওয়ারজামী [আব্দুল ম'আয়্যিদ মুহাম্মদ ইবনে মাহমুদ] : ৫৯৩-৬৬৫ হি:
★ ইমাম খতিব তিবরিযী : ওফাত ৭৪১ হি:
★ ই
শরহে হাদিস গ্রন্থ :
★ ইমাম নববী : [৬৩১-৬৭৭ হি:] : প্রনীত ব্যাখ্যাগ্রন্থ সমুহ :
★ শারহু সহীহ্ আল-বুখারী (বুখারী শরীফের ব্যাখ্যা)
★ শারহু সুনানে আবু দাউদ (সুনানে আবু দাউদের ব্যাখ্যা)
★ কিতাবুল ঈমান - كتا ب الايمان (বুখারী শরীফের ব্যখ্যা)
★ আল-মিনহাজ ফি শারহু মুসলিম ইবনে আল-হিজাজ - المنهج في شرح مسلم ابن الحجا ج (মুসলিম শরীফের ব্যখ্যা)
★ শারহুল মুহাযযাব - شرح المهذب
(http://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A7%80)
★ ইমাম বদরুদ্দিন আঈনী [৭৬২-৮৫৫ হি:] :
উমদাতুল কারী শরহে বুখারী
★ আসকালানী [৭৭৩-৮৫২ হি:] : ফতহুল বারী শরহে বুখারী
★ ইমাম সুয়ুতী : [৮৪৯-৯১১ হি:] : শরহুস সুনান ইবনে মাজাহ
★ ইমাম কুস্তালানী : [৮৫১-৯২৩ হি:] : ইরশাদুস সারী শরহে বুখারী
★ মুনাভী :[৯৫২-১০৩১ হি:] : ফয়জুল কাদির শরহে জামেউস সাগীর
★ ইমাম যুরকানী : [১০৫৫-১১২২ হি:] : শরহুল মু'আত্তা
★ মোল্লা আলী কারী : [১০১৪-১২০৬ হি:] : মিরকাতুল মাফাতিহ শরহে মিশকাতুল মাফাতিহ
★ মুবারকপুরী : [১২৭৩-১৩৫৩ হি:] : তুহফাতুল আহওয়াযী বি শরহে জামেউত তিরমিযি
তফসীর ও উলুমুল কোরআন :
★ ইমাম আব্দুর রাজ্জাক : ওফাত ২১১ হি :
★ ইমাম ইবনে জারির ত্বাবারী : ওফাত ৩১০ হি:
★ ইমামে আহলে সুন্নত ইমাম মাতুরিদী : ৩৩৩ হি:
★ ইমাম আবু লাইস সমরকন্দী : ওফাত ৩৭৩ হি:
★ ইমাম আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ মাখলুফ ছা'লাভী : ওফাত ৪২৭ হি:
★ ইমাম আলী বিন আহমদ আল ওয়াহেদী আল নিশাপুরী আশ শাফেয়ী : ওফাত ৪৩৮ হি:
★ ইমাম আবুল হাসান মাওয়ারিদী : ওফাত ৪৫০ হি:
★ ইমাম আবু মুজাফফর মারওয়াজী সামআ'নী তায়মী হানাফী : ওফাত ৪৮৯ হি:
★ ইমাম বাগভী : ওফাত ৫১০ হি:
★ ইমাম আবুল ফারাহ জাওজী : ওফাত ৫৯৭ হি:
★ ইমাম ফখরুদ্দিন রাজী : ওফাত ৬০৬ হি:
★ ইমাম ইবুদ্দিন বিন আব্দুস সালাম দামেস্কী : ওফাত ৬৬০ হি:
★ ইমাম কাজী নাসীরুদ্দিন বাযযাভী : ওফাত ৬৮৫ হি :
★ ইমাম জুযী কালবী : ওফাত ৭৪১ হি:
★ ইমাম খাজেন : ওফাত ৭৪১ হি:
★ ইমাম কুরতুবী আল মালিকী : ওফাত ৭৬১ হি:
★ ইমাদুদ্দীন ইবনে কাসীর : ওফাত ৭৭৪ হি:
★ ইমাম নিজামুদ্দীন নিশাপুরী : ওফাত ৮৫০ হি:
★ ইমাম আবি বকর আল-বাকি : ওফাত ৮৫৫ হি:
★ ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ুতী : [৮৪৯-৯১১ হি:] :
★ ইমাম শামসুদ্দীন মুহাম্মদ বিন আহমদ খতিব শরবীনী : ওফাত ৯৭৭ হি:
★ ইমাম আবুস সউদ উমাদী : ওফাত ৯৮২ হি:
★ আল্লামা মাহদী আল ফাসী সুফী : ওফাত ১২২৪ হি:
★ কাজী সানাউল্লাহ পানিপথী : ওফাত ১২২৫ হি:
★ ইমাম সাভী আল- মালেকী : ওফাত ১২৪১ হি:
★ কাজী শাওকানী : ওফাত ১২৫০ হি:
★ আল্লামা মাহমুদ আলুসী : ওফাত ১২৭০ হি:
★ আশরাফ আলী থানভী : ১৮৬৩- ১৯৪৩ ইং
★ ইমামে আহলে সুন্নত নইম উদ্দীন মুরাদাবাদী : ১৮৮৭-১৯৪৮ ইং
★ মুফতি শফী দেওবন্দী : মৃত্যু ১৯৭৬ ইং
★ আবুল আলা মওদুদী : ১৯০৩-১৯৭৯ ইং
---------------------------
★ Tanwir al-Miqbas ("Tafsir Ibn Abbas") by Abd Allah ibn Abbas (d. 68/687)
★ Tafsir al Kabir ("The Great Interpretation") by Muqatil ibn Sulayman (80-150AH).
★ Tafsir Imam Ja'far al-Sadiq by Ja'far al-Sadiq (83-148AH).
★ Ma'ani al-Qur'an ("The Meaning of The Qur'an") by Yahya ibn Ziyad al-Farra (207AH).
★ Tafsir al-Tabari ("The Al-Tabari Interpretation") by Muhammad ibn Jarir al-Tabari (224-310 or 838-923CE).
★ Nukat al-Qur'an al-Dallah ala al-Bayan by Al-Qassab (d. 360AH/970CE)
★ Ahkam al-Qur'an ('The Commands of the Quran') by al-Jassas (d. 370AH/981CE). Based on the legal rulings of the Hanafi school of Islamic law.
★ Tafsir Furat Kufi (9th-10th Century CE) by Furat Ibn Furat Ibn Ibrahim al-Kufi.
★ Tafsir al-Thalabi by Ahmad ibn Muhammad al-Tha'labi (died 427AH/1035CE). Also known as al-Tafsir al-Kabir ('The Great Commentary').
★ Ma'alim al-Tanzil by Hasan bin Mas'ud al-Baghawi (died 510AH/1116CE) also known widely as Tafsir al-Baghawi - A popular tafsir amongst Sunni Muslims, it relies heavily on the Tafsir of al-Tha'labi.
★ Al-Kashshaaf ('The Revealer') by Al-Zamakhshari (d. 1144CE).
★ Ahkam al-Qur'an by Abu Bakr ibn al-Arabi (d.543AH/1148CE). The author is also known as 'Qadi ibn al-Arabi' (ibn Arabi, the judge).
★ Al-Muharrar al-wajiz fī tafsir al-kitab al-aziz ('The Concise Record of the Exegesis of the Noble Book'), commonly known as Tafsir ibn 'Atiyyah after its author, Ibn Atiyyah (d. 541 or 546AH)
★ Zad al-Masir fi Ilm al-Tafsir by the great Hanbali polymath Abu'l-Faraj ibn al-Jawzi (d. 597AH).
★ Al-Jami' li-Ahkam al-Qur'an ("The collection of Qur'anic Injunctions") by al-Qurtubi (1214-1273CE)
★ Anwar al-Tanzil' by Abdullah bin Umar al-Baidawi (d. 685AH/1286CE), also famous as Tafsir al-Baidawi - a shortened version of Al-Kashshaf,
★ Al-Bahr al-Muhit by Abu Hayyan al-Gharnati (d. 745AH/1344CE)
★ Tafsir ibn Kathir ("The Ibn Kathir Interpretation") by Ibn Kathir (1301-1373CE).
★ Irshad al 'Aql as-Salim ila Mazaya al-Qur'an al-Karim by Abdul Su'sud Al-Imadi (d.911AH/1505CE). Also known as Tafsir Abi Sa'ud.
★ Tafsir al-Jalalayn ('The Commentary of the Two Jalals') by Jalaluddin al-Mahalli (in 1459), and was subsequently
completed, in the same style, by his student, the famous Shafi'i scholar Al-Suyuti (d. 911AH/1505CE), who completed it in 1505.
★ Dur al-Manthur ('The Threaded Pearl Concerning Commentary Based on Traditions'), also by Al-Suyuti.
★ Ruh al-Bayan by Ismail Hakki Bursevi (d.1725CE).A ten-volume Arabic work by the founder of the Hakkiyye Jelveti Sufi Order from Turkey.
★ Al-bahr al-Muhit ('The Encompassing Ocean') by Ahmad ibn Ajiba (
Wednesday, June 7, 2017
গাউসুল আজম হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ) এর শানঃ-
হযরত খাজা নিজামুদ্দিন আউলিয়া (রহঃ) বলেন -
একবার গাউসুল আজম হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ) এর একজন আশেক ওনার খানকায় গেলেন, দেখলেন এক ব্যক্তি হাত-পা ভাঙা খুব করুণ অবস্থায় ছটফট করছে। গাউসে পাক (রহঃ) এর নিকট আরজ করলেন, ইয়া গাউসে আজম (রহঃ) আপনার দরবারে এসেছে, হাত-পা ভাঙা, বড়ই করুণ অবস্থা আছে, ওনার কি হয়েছে? দয়া করে ওনাকে সাহায্য করুন।
গাউসে আজম (রহঃ) ফরমান, সে আবদাল (অলি) ছিল।
তিন আবদাল আমার খানকার উপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল।
দুইজন আবদাল দেখেছেন এখানে গাউসুল আজম (রহঃ) এর খানকা ! (আদবের সহিত) একজন ডানদিকে সরে গিয়েছেন, আরেকজন বামদিকে সরে গিয়েছেন, তৃতীয়জন বলল আমি নিজেই একজন আবদাল (অলি) আমি কেন গাউসের আদব করব? ওই আবদাল আসমান থেকে আমার খানকার উপর হাত-পা ভাঙা অবস্থায় লুটিয়ে পড়ল। (সুবাহানাল্লাহ এই গাউসে পাকের শান)
আউলিয়ায়ে কেরামের গোস্তাখকারীগণ শুনে রাখো!
আসমানে থাকা আবদাল গাউসে পাকের শানে গোস্তাখী করায় যদি এমন করুণ হালাত হয়, জমিনে থাকা কিরা (ওহাবী-সালাফী) তোমরা যারা গাউসে পাকে শানে কুটুক্তি করো তোমাদের কি হবে?
Monday, June 13, 2016
রোযার জন্য জান্নাতের একটি দরজাঃ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “জান্নাতে আটটি দরজা, তাতে একটি দরজাকে “রাইয়ান” বলা হয়, তা দিয়ে রোযাদার ব্যতীত কেউ প্রবেশ করবে না”। (বুখারি: ৩০৮৪, মুসলিম: ১১৫৫, তিরমিযি: ৭৬৫)
বুখারির বর্ণিত শব্দে হাদিসটি এসেছে এভাবে: “নিশ্চয় জান্নাতে একটি দরজা আছে, যাকে বলা হয় রাইয়ান, কিয়ামতের দিন তা দিয়ে রোযাদার প্রবেশ করবে, তাদের ব্যতীত কেউ সেখান থেকে প্রবেশ করবে না। বলা হবে: রোযাদারগণ কোথায়? ফলে তারা দাঁড়াবে, তাদের ব্যতীত কেউ তা দিয়ে প্রবেশ করবে না, যখন তারা প্রবেশ করবে বন্দ করে দেয়া হবে, অতঃপর কেউ তা দিয়ে কেউ প্রবেশ করবে না”। (বুখারি: ১৭৯৭)
তিরমিযির বর্ণিত শব্দ: “জান্নাতে একটি দরজা আছে, যাকে রাইয়ান বলা হয়, তার জন্য রোযাদারদেরকে আহ্বান করা হবে, যে রোযাদারদের অন্তর্ভুক্ত হবে, সে তাতে প্রবেশ করবে, যে তাতে প্রবেশ করবে কখনো পিপাসার্ত হবে না”। (তিরমিযি: ৭৬৫)
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “আল্লাহর রাস্তায় যে দু’টি জিনিস খরচ করল, তাকে জান্নাতের দরজাসমূহ থেকে ডাকা হবে: হে আব্দুল্লাহ, এটা কল্যাণ। যে সালাত আদায়কারী তাকে সালাতের দরজা থেকে ডাকা হবে। যে মুজাহিদ তাকে জিহাদের দরজা থেকে ডাকা হবে। যে রোযাদার তাকে রাইয়ান দরজা থেকে ডাকা হবে। যে দানশীল তাকে সদকার দরজা থেকে ডাকা হবে। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন : হে আল্লাহর রাসূল, আমার মাথা-পিতা আপনার উপর উৎসর্গ। যাকে এক দরজা থেকে ডাকা হবে না, তার বিষয়টি পরিষ্কার, কিন্তু কাউকে কি সকল দরজা থেকে ডাকা হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমি আশা করছি তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত”। (বুখারি: ১৭৯৮, মুসলিম: ১০২৭)
বুখারি ও মুসলিমের অন্য শব্দে এসেছে: “জান্নাতের প্রহরী তাকে ডাকবে, প্রত্যেক দরজার প্রহরী বলবে: হে অমুক, আস”। (বুখারি: ২৬৮৬, মুসলিম: ১০২৭)
ইমাম আহমাদের বর্ণিত শব্দ: “প্রত্যেক আমলের লোকের জন্য জান্নাতে একটি করে দরজা আছে, তাদেরকে সে আমল দ্বারা ডাকা হবে। রোযাদারদের একটি দরজা রয়েছে, তাদেরকে সেখান থেকে ডাকা হবে, যাকে বলা হয় রাইয়ান। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, কেউ কি সব দরজা থেকে ডাকা হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমি আশা করছি তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হে আবু বকর”। (মুসনাদে আহমদ: ২/৪৪৯)
মওলিদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্পর্কে ইমাম ইবনে কাসীর (রহঃ) :-
▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄
ইসলাম নতুন নয়; পুরাতন। মীলাদ উন নাবী (صلى الله عليه و آله وسلم) সম্পর্কে কতিপয় অভিমত :
▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄
ইমাম ইবনে কাসীর রহমতুল্লাহি আলাইহি'র দৃষ্টিতে আরবলের বাদশাহ সুলতান সালাউদ্দিন আইয়্যুবীর ভগ্নিপতি হযরত মুজাফফর রাহমাতুল্লাহি আলাইহি।
ইবনে কাসীর রহমতুল্লাহি আলাইহি, যাকে সালাফী / ওহাবীরা তাফসীর ও ইতিহাস শাস্ত্রে সবচেয়ে বেশি শ্রদ্ধা করে থাকে।
________________________
প্রকৃতপক্ষে ইবনে কাসীর লিখেন:
↓
অর্থ: “বাদশা হযরত মুজাফফরুদ্দীন ইবনে যাইনুদ্দীন আবু সাঈদ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি দানশীল ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের অন্যতম ছিলেন। সাথে সাথে তিনি সম্মানিত বাদশাও ছিলেন। উনার বহু পূন্যময় কাজের আলামত এখনও বিদ্যমান রয়েছে।”
গ্রন্থ সূত্র :
*_* আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১৩ তম, খন্ড ১৩৬ পৃষ্ঠা।
তিনি আরো লিখেন :
↓
অর্থ: আরবলের বাদশা হযরত মালিক মুজাফফরুদ্দীন ইবনে যাইনুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি প্রতি বছর পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে তিন লক্ষ দিনার ব্যায় করতেন।”
গ্রন্থ সূত্র :
*_* আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১৩ তম, খন্ড ১৩৭ পৃষ্ঠা।
তিনি লিখেন :
أحد الاجواد والسادات الكبراء والملوك الامجاد له آثار حسنة وقد عمر الجامع المظفري بسفح قاسيون وكان قدهم بسياقه الماء إليه من ماء بذيرة فمنعه المعظم من ذلك واعتل بأنه قد يمر على مقابر المسلمين بالسفوح وكان يعمل المولد الشريف في ربيع الاول ويحتفل به احتفالا هائلا وكان مع ذلك شهما شجاعا فاتكا بطلا عاقلا عالما عادلا رحمه الله وأكرم مثواه وقد صنف الشيخ أبو الخطاب ابن دحية له مجلدا في المولد النبوي سماه التنوير في مولد البشير النذير فأجازه على ذلك بألف دينار وقد طالت مدته في الملك في زمان الدولة الصلاحية وقد كان محاصر عكا وإلى هذه السنة محمودالسيرة والسريرة قال السبط حكى بعض من حضر سماط المظفر في بعض الموالد كان يمد في ذلك السماط خمسة آلاف راس مشوى وعشرة آلاف دجاجة ومائة ألف زبدية وثلاثين ألف صحن حلوى
অর্থঃ “(মুযাফফর শাহ) ছিলেন একজন উদার/সহৃদয় ও প্রতাপশালী এবং মহিমান্বিত শাসক, যাঁর সকল কাজ ছিল অতি উত্তম। তিনি কাসিইউন-এর কাছে জামেয়া আল-মুযাফফরী নির্মাণ করেন…..(প্রতি) রবিউল আউয়াল মাসে তিনি জাঁকজমকের সাথে মীলাদ শরীফ (মীলাদুন্নবী) উদযাপন করতেন। উপরন্তু, তিনি ছিলেন দয়ালু, সাহসী, জ্ঞানী, বিদ্বান ও ন্যায়পরায়ণ শাসক – রাহিমুহুল্লাহ ওয়া একরাম – শায়খ আবুল খাত্তাব রহমতুল্লাহি আলাইহি সুলতানের জন্যে মওলিদুন্ নববী সম্পর্কে একখানি বই লিখেন এবং নাম দেন ‘আত্ তানভির ফী মওলিদ আল-বাশির আন্ নাযীর’। এ কাজের পুরস্কারস্বরূপ সুলতান তাঁকে ১০০০ দিনার দান করেন। সালাহিয়া আমল পর্যন্ত তাঁর শাসন স্থায়ী হয় এবং তিনি ’আকা’ জয় করেন। তিনি সবার শ্রদ্ধার পাত্র থেকে যান।”
আস্ সাবত্ এক ব্যক্তির কথা উদ্ধৃত করেন-যিনি সুলতানের আয়োজিত মওলিদ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন; ওই ব্যক্তি বলেন:
‘অনুষ্ঠানে সুলতান ভালভাবে রান্নাকৃত ৫০০০ ছাগল, ১০,০০০ মোরগ, ১ লক্ষ বৌল-ভর্তি দুধ এবং ৩০,০০০ ট্রে মিষ্টির আয়োজন করতেন’।”
গ্রন্থ সূত্র :
*_* ’তারিখে ইবনে কাসীর’, ‘আল-বেদায়াহ ওয়ান্ নেহায়া’ ১৩তম খণ্ড, ১৭৪ পৃষ্ঠা।
অনুরূপ বিবরণ জগৎ বিখ্যাত পূর্বেকার উম্মতের ইমামগনের বিখ্যাত যত গ্রন্থ "সীরাতে শামী, সীরাতে হালবীয়া, সীরাতে নববীয়া ও যুরকানী” ইত্যাদিতে ও বিদ্যমান আছে।
জুম’আর দিন প্রসঙ্গে কিছু সহিহ্ হাদিসঃ
রাসুলে কারিম সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
জুম’আর দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায়, তা-ই তাকে দেওয়া হয়। আর এ সময়টি হল জুম’আর দিন আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত, একটি সময়।
*_* বুখারী শরীফ/৯৩৫।
হযরত আবু হুরাইরা(রা) হতে বর্ণিত,
রাসূলে কারিম সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
”যে গোসল করে জুমু’আর উদ্দেশ্যে আসে এবং যে পরিমাণ নফল নামায পড়ার তাওফীক হয় তা পড়ে, এরপর ইমামের খুতবা শেষ হওয়া পর্যন্ত চুপ থাকে এবং ইমামের সঙ্গে নামায আদায় করে, আল্লাহ তা’আলা তার দশ দিনের (সগীরা) গুনাহ মাফ করে দেন।”
*_* সহীহ মুসলিম, ১/২৮৩।
জুমুয়ার দিন রসূলে কারিম হাযরাত মুহাম্মদ সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম এর উম্মত এর জন্য একটি মহান দিন। এ জুম’আর দিনটিকে সম্মান করার জন্য ইহুদী-নাসারাদের উপর ফরজ করা হয়েছিল; কিন্তু তারা মতবিরোধ করে এই দিনটিকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। অতঃপর ইহুদীরা শনিবারকে আর খ্রিষ্টানরা রবিবারকে তাদের ইবাদতের দিন বানিয়েছিল। অবশেষে আল্লাহ তায়ালা তাঁর হাবীব রসূলে কারিম হাযরাত মুহাম্মদ সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম এর উম্মতের জন্য শুক্রবারকে মহান দিবস ও ফযীলতের দিন হিসেবে দান করেছেন। আর উম্মতে মুহাম্মদী তা গ্রহন করে নিল।
*_* বুখারী শরীফ ৮৭৬;
*_* মুসলিম শরীফ ৮৫৫।
হাযরাত আবদুল্লাহ ইবনে আমর [রাযি] থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক জুমুআর দিনে নিজের গোঁফ ছোট করেতেন এবং আংগুলের নখ কাটতেন।
*_* আখলাকুন নবী সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম, হাদিস নং-৭৭০।
হাযরাত আবু হুরায়রা [রাযি] থেকে বর্ণিত,
তিনি বলেন, নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বলেছেন,
জুমুআর দিন মসজিদের দরজায় ফিরিশতারা অবস্থান করেন এবং ক্রমানুসারে আগে আগমনকারীদের নাম লিখতে থাকেন। যে সবার আগে আসে সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে একটি মোটাতাজা উট কুরবানী করে। এরপর যে আসে সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে একটি গাভী কুরবানী করে। এরপর যে আসে সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে একটি দুম্বা কুরবানী করে তারপর আগমনকারী ব্যক্তি মুরগী দানকারীর ন্যায়। এরপর আগমনকারী ব্যক্তি ডিম দানকারীর ন্যায়। তারপর ইমাম যখন [খুৎবার প্রদানের জন্য] বের হন তখন ফিরিশিতা তাঁদের দফতর বন্ধ করে দেন এবং মনোযোগ সহকারে খুৎবা শুনতে থাকেন।
*_* বুখারি শরীফ, হাদিস ৮৮২।
হাযরাত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন,
রসূলে কারিম সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
যে ব্যক্তি জুমআর দিন সূরা কাহ্ফ পড়বে তার জন্য এক জুম’আ থেকে আরেক জুম’আ পর্যন্ত আলো বিচ্ছুরিত হবে।
*_* মুসতাদারেক হাকিমঃ২/৩৯৯,
*_* বায়হাকীঃ ৩/২৪৯,
*_* ফয়জুল ক্বাদীরঃ ৬/১৯৮।
হযরত ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত,
রসূলে কারিম সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
যে ব্যক্তি শুক্রবার দিন সূরা কাহফ পাঠ করবে তার পা থেকে আকাশের উচ্চতা পর্যন্ত নূর হয়ে যাবে, যা কেয়ামতের দিন আলো দিবে এবং বিগত জুমআ থেকে এ জুমআ পর্যন্ত তার সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে।
*_* সহিহ্ আত তারগীব ওয়া তারহীবঃ ১/২৯৮।
হাযরাত আবু দারদা রাঃ রসূলে কারিম সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন,
যেব্যক্তি সুরায়ে কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে সে দাজ্জালের ফেৎনা হতে রক্ষা পাবে।
*_* মুসলিম শরীফ, হাদিস ১৩৪২,
*_* মুসনাদু আহমদ শরীফ, হাদিস ২০৭২০,
*_* আবু দাউদ শরীফ, হাদিস ৩৭৬৫।
হযরত ইয়াযীদ ইবনে আবি মারয়াম (র) থেকে বর্ণিত।
তিনি বলেন,
আমি একদিন পায়ে হেঁটে জুম’আর জন্য যাচ্ছিলাম। এমন সময় আমার সাথে আবায়া ইবনে রিফায়া (র) এর সাথে সাক্ষাৎ হয়।
তিনি বললেন, সুসংবাদ গ্রহণ কর! তোমার এই পদচারণা আল্লাহর পথেই। আমি আবু আবস (রা) কে বলতে শুনেছি, রাসূলুলে কারিম সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
যে ব্যক্তির পদদ্বয় আল্লাহর পথে ধূলিময় হলো, তার পদদ্বয় জাহান্নামের জন্য হারাম করা হলো।
*_* জামে তিরমিযি, হাদিস ১৬৩৮,
*_* সহীহ বুখারী, হাদিস ৯০৭।
রাসূলে কারিম সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
জুম’আতে তিন ধরনের লোক আসে।
(ক) যে ব্যক্তি অনর্থক আসে, সে তাই পায;
(খ) যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনার জন্য আসে। আল্লাহ চাইলে তাকে দেন, অথবা না দেন;
(গ) যে ব্যক্তি নীরবে আসে এবং কারো ঘাড় মটকায় না ও কষ্ট দেয় না, তার জন্য এই জুম’আ তার পরবর্তী জুম’আ এমনকি তার পরের তিন দিনের (সগীরা) গোনাহ সমূহের কাফফারা হয়ে থাকে। এ কারণেই মহান আল্লাহ্ পাক বলেছেন,
যে ব্যক্তি একটি নেকীর কাজ করে, তার জন্য দশগুণ প্রতিদান রয়েছে (সূরাহ্ আন’আম; আয়াত ১৬০)।
*_* আবুদাঊদ, মিশকাত হা/১৩৯৬, অনুচ্ছেদ-৪৪।
ইমাম মালিক রাহিমাহুল্লাহ্ বলেনঃ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أَنَّهُ قَالَ: تُعْرَضُ أَعْمَالُ النَّاسِ كُلَّ جُمُعَةٍ مَرَّتَيْنِ، يَوْمَ الْاثْنَيْنِ وَيَوْمَ الْخَمِيسِ، فَيُغْفَرُ لِكُلِّ عَبْدٍ مُؤْمِنٍ إِلَّا عَبْدًا كَانَتْ بَيْنَهُ وَبَيْنَ أَخِيهِ شَحْنَاءُ، فَيُقَالُ: اتْرُكُوا هَذَيْنِ حَتَّى يَفِيئَا. أَوِ ارْكُوا (يعني أخِّروا) هَذَيْنِ حَتَّى يَفِيئَا.
“আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: প্রতি জুমায় [সপ্তাহে] বান্দার আমল দু’বার পেশ করা হয়: সোমবার ও বৃহস্পতিবার। অতঃপর প্রত্যেক মুমিন বান্দাকে ক্ষমা করা হয়, তবে সে বান্দা ব্যতীত যার মাঝে ও তার ভাইয়ের মাঝে বিদ্বেষ রয়েছে। বলা হয়: তাদেরকে ত্যাগ কর, যতক্ষণ না তারা সংশোধন করে নেয়”।
গ্রন্থ সূত্র :
*_* মুয়াত্তা মালেক; ২/৯০৮, হাদিস ১৭।
Subscribe to:
Posts (Atom)
বিপদে আপদের সময় যেসব দোয়া পড়বেনঃ
বিপদ-মসিবতে পাঠ করার জন্য কতিপয় দোয়া এবং এর জন্য আমল: ♦১) উম্মে সালমা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ও...
-
♦Prediction of MOHAMMAD(SM) in Hinduism:- 1. Muhammad (pbuh) prophesised in Bhavishya Purana According to Bhavishya Purana in the Prati Sara...
-
উত্তরঃ এ ব্যাপারে চার ধরনের বর্ননা পাওয়া যায় : ★ সালাতে হাত রাখবে বুকে[1], ★ বুকের নীচে নাভীর উপরে[2] (সর্বোত্তম) ★ নাভীর নিচে[3]। (সর্বোত...
-
বিপদ-মসিবতে পাঠ করার জন্য কতিপয় দোয়া এবং এর জন্য আমল: ♦১) উম্মে সালমা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ও...
