Sunday, February 21, 2016

ফরজ নামাজের পর সম্মিলিত দোয়াঃ(হাদিসের আলোকে)








শাফেয়ী মাযহাবে ফরজ নামাজের পর সম্মিলিত দোয়ার ফতোয়াঃ





শাফেয়ী মাযহাবের বিশ্ববিখ্যাত ইমাম, হাফিযুল হাদিস আন- নাওয়াওয়ী রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর ইমাম এবং মুক্তাদীর দোয়া করা সর্বসম্মতিক্রমে মুসতাহাব। তিনি একাকী নামাজ আদায় কারী পুরুষ, নারী, মুসাফির এবং অন্যান্যদের ক্ষেত্রেও দোয়া করাকে মুস্তাহাব বলেছেন।
তিন আরো বলেন,
মুসতাহাব তারীকা হচ্ছে, ফরজ নামাজ শেষে ইমাম সাহেব মুক্তাদীর দিকে মুখ করে বসবেন এবং দোয়া করবেন।
রেফারেন্সঃ
আল-মাজমু’
খন্ড- ৩
পেইজ নাম্বার- ৪৬৫,৪৬৯
এবার কি বিশ্ব বিখ্যাত এই হাফিযুল হাদীসকে বেদ'আতী বলবেন?
কারণ, তিনি যে ফরজ নামাজের পর সম্মিলিত দোয়া মুসতাহাব ফতোয়া দিয়ে দিলেন!
_______________
বিঃ দ্রঃ
ফরজ নামাজের পর ইমাম সাহেবের মুখ ফেরানো, কিংবা কোন কোন সালাতের পর বা সকল সালাতের পর এভাবে মুখ ফিরিয়ে সম্মিলিত দোয়া -- এনিয়ে ইমামগণের মধ্যে এখতেলাফ রয়েছে।
কিন্তু সকলেই মুল/ আসল অর্থাৎ ফরজ সালাতের পর সম্মিলিত দোয়ার ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন। মুস্তাহাব বলেছেন।
______________
লেখাটি কপি শেয়ার করুন।

(কলম সৈনিক)

ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) এর চোর ধরার ১টি মজার কাহিনীঃ


  • ইমাম আযম আবু হানিফা রহঃ এর এক প্রতিবেশীর ময়ূর চুরি হয়ে ছিল । সে ইমাম আযমের কাছে এ ঘটনা বললো । ইমাম আযম ওকে বললেন, তুমি এ কথা আর কাউকে বলিও না । ইমাম আযম মসজিদে গেলেন । যখন সব লোক নামাযের জন্য জমায়েত হলো, ইমাম আযম দাঁড়িয়ে বললেন, বড় লজ্জার বিষয়, প্রতিবেশীর ময়ূর চুরি করে এমন অবস্থায় নামায পড়তে আসল ওর মাথায় এখনও ময়ূরের পালক রয়েছে । এ কথা শুনা মাত্র এক ব্যক্তি স্বীয় মাথায় হাত দিল এবং মাথা লুকাতে চেষ্টা করলো । ইমাম আযম লোকটিকে বললেন, ওর ময়ূর তুমিই চুরি করেছ । লোকটি স্বীকার করলো এবং ময়ূরটি ফেরত দিয়ে দিল । 
  • [সূত্রঃ খায়রাতুল হাসান ১০২ পৃষ্ঠা]

Saturday, February 20, 2016

রাসুল (সাঃ) এর শালিনতা ও ওনার কারণে আবূ তালিবের পরিবারে খাদ্যে বরকতঃ



★ যরত রাসূলুল্লাহ্ (সা) নিজে বর্ণনা করেন-শৈশবে কুরায়শী বালকদের সাথে খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতাম। তন্মধ্যে বড় বড় পাথর একস্থান থেকে অন্যস্থান সরিয়ে নিয়ে যাওয়া একটা খেলা ছিল। এ খেলা খেলতে গিয়ে প্রায় সকল বালকই উলঙ্গ হয়ে যেত। পরনের কাপড় কাঁধে দিয়ে পাথর বহন করত। আমি সময় সময় এরুপ উলঙ্গ হওয়ার উপক্রম করতাম। এ সময় অদৃশ্য কোন শক্তি আমাকে ঘুষি মারত। তাতে বেশ ব্যথা পেতাম এবং বলত, ‘চাদের পরে ফেলো।’ আমি শক্ত করে চাদর বেঁধে পরতাম। এভাবে সকল বালকের মাঝে কেবল আমি চাদরপরা খালি কাঁধে পাথর বহন করতাম।
(ইবন ইসহাক)


★ হযরত ইব্ন আব্বাস ও মুজাহিদ থেকে বর্ণিত আছে যে, আবূ তালিবেরা সকালে একত্রে বসে বা আলদা আলদা যখন আহার করত তাদের পেট ভরত না। (কারণ আবূ তালিবের পরিবারের লোকসংখ্যা ছিল বেশি, আর তিনি কখনও সচ্ছল ছিলেন না।) কিন্তু রাসূল (সা) যখন তাদের সাথে বসে আহার করতেন তখন সকলেরই পেট ভরে যেত। সেজন্য সকাল কিংবা সন্ধ্যায় খাওয়ার সময় হলে আবূ তালিব বলতেন- অপেক্ষা করো, আমার বাছা আসুক। তারপর রাসূল (সা) আসলে সকালে একসাথে আহার করতেন। তখন সকালের পেট তো ভরতই, খাদ্য বেঁচেও যেত। আর তিনি খাদ্যে অংশগ্রহণ না করলে সকালে (খাদ্যের স্বল্পতা হেতু) ক্ষুধার্ত থাকত। দুধ থাকলে আবূ তালিব প্রথমে রাসূল (সা)-কে পান করাতেন, এরপর সকালে এ পাত্র থেকে পান করতেন। এতে সকলেই পূর্ণভাবে তৃপ্ত হয়ে যেতেন। তাঁকে আবূ তালিব বলতেন, ‘তুমি বড়ই বরকতওয়ালা।’ (খায়ায়েসুল কোবরা)

★ হযরত উম্মে আরমান রেওয়ায়েত করেন- আমি কখনও রাসূল (সা)-কে ক্ষুধা-তৃষ্ণার কথা বলতে শুনিনি। তিনি ভোরে যমযমের পানি পান করতেন। আমারা তাকে সকালের খাবার দিলে তিনি বলতেন, আমার পেট ভরা। (মাদারেজুন্নবুওয়াত ও খাসায়েসুল কোবরা)

পারস্য রাজপ্রসাদের গম্বুজ ভূমিসাৎঃ


হযরত ওয়াহাক ইব্ন মুনাব্বিহ বর্ণনা করেন-যখন আল্লাহ্ পাক রাসূলুল্লাহ্ (সা)-কে প্রেরণ করলেন, তখন পারস্য সম্রাট সকালবেলা দেখলেন , তাঁর প্রাসাদের গম্বুজ ভূমিসাৎ হয়ে গেছে এবং দজলা নদীর স্রোত বন্ধ হয়ে আছে। এতে সম্রাট অত্যন্ত বিচলিত হলেন। গণক, জ্যোতির্বিদ এবং জাদুকরদের দরবারে তলব করে বললেন, ব্যাপারটি কি, চিন্তা-ভাবনা করো।’

তারা নিজেদের জ্ঞান ও সাধনা দ্বারা জানতে চেষ্টা করতে গিয়ে দেখল, আকাশের চারপাশ বন্ধ। যে পথে ওরা এসব এতদিন জানতে পারত সে পথ অন্ধকার। তারা নিজেদের শাস্ত্রে ব্যর্থ হয়ে অপমানিত হয়ে গেল। এমনকি কোন জাদুকরের জাদু, অতীন্দ্রিয় কৌশল এবং জ্যোতিষীর গণনা কিছুই কার্যকর রইল না।
(সীরাতে ইব্ন ইসহাক)

রাসুলুল্লাহ (দুরুদ) ওনাকে গাছ ও পাথরের সালামঃ



★ নবুওয়াতপ্রাপ্তির প্রাক্কালে মুহাম্মদ (সা)-এর অবস্থা কিছু ভিন্ন হয়ে গেল। নির্জনতা ভাল লাগত। লোক-কোলাহলে অস্থিরতা বোধ করতেন। অন্তরে এক ধরনের শূন্যতা ও অপূর্ণতাবোধ তাঁকে আকুল করে রাখতো । তাই মাঝে মাঝে লোকালয় ছেড়ে দূরে মক্কার উপকন্ঠে জনবিরল পার্বত্য উপত্যকায় বা বিস্তীর্ণ সমভূমির দিকে তিনি চলে যেতেন। কোন গাছ বা পাথরের পাশ দিয়ে যখন তিনি অতিক্রম করতেন, সেগুলো তাঁকে সালাম দিত। আওয়াজ হতো- আস্সালামু আলাইকুম ইয়া রাসূলাল্লাহ। কোথা থেকে এ আওয়াজ ও সালাম আসে, কে দেয় দেখার জন্য তিনি চারদিকে চোখ ফেরাতেন, খুঁজতেন। কিন্তু শুধু গাছ বা পাথর ব্যতীত কিছুই তাঁর চোখে পড়ত না।
এভাবে যতক্ষণ আল্লাহর ইচ্ছা হতো তিনি দাঁড়িয়ে থাকতেন। চারদিকে দেখতেন এবং শুনতেন। তারপর এক রমযান মাসে যখন তিনি হেরার গুহায় ধ্যানে মগ্ন ছিলেন, আল্লাহ্ তা’আলার তরফ থেকে সম্মান ও মর্যদার বাণী ওহী নিয়ে জিবরাঈল আমীন (আ) আসলেন তাঁর কাছে। (ইব্ন ইসহাক)

★ বুখারী ও মুসলিমের বর্ণনা মতে- রাসূল (সা) নিজেই ইরশাদ করেনঃ মক্কায় একটি পাথরকে আমার চেনা আছে, ওহী আসার আগে সেটি আমায় সালাম দিত। হাদীসের কোন গ্রন্থে এরুপ আছে যে, সেই পাথরটি ছিল হাজারে আসওয়াদ। (সীরাতে ইব্ন ইসহাক)

★ রাসূল (সা)-এর ক্ষেত্রে আল্লাহ্ পাক যেমন একটি খেজুর গাছের কান্ডকে ক্রন্দন করার ক্ষমতা প্রদান করেছিলেন তেমনি গাছ ও পাথরকে কথা বলার ক্ষমতা দান করেছিলেন। তাতে বোঝা যায়, জিন ও ইনসানের উপর তখনও তাঁর নবুওয়াত ও রেসালাত প্রকাশিত হয়নি। কিন্তু সৃষ্টি জগতের অন্য সকল কিছুর উপরই তা প্রকাশিত হয়ে গিয়েছিল। তারা সবাই রাসূল (সা)-এর উপর ঈমান এনেছিল এবং তাকে ভালবাসা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছিল। (ইব্ন ইসহাক)

রাসূল (সা)-এর নবুওয়াতের জীবনে পরবর্তীকালে এরুপ আরও বহু ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল।


★ হযরত আলী (রা) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সাথে যখন মক্কায় ছিলাম, তখন একদিন তিনি আমাদের নিয়ে শহরের একদিকে গেলেন। তাঁর সামনে যে বৃক্ষ, টিলা বা পাথর পড়ত সেই তাঁকে ‘আস্সাললামু আলাইকুম ইয়া রাসূলুল্লাহ্’ বলত। আমি নিজে তা শুনতাম। (বায়হাকী ও তিবরানী)

★ আবূ নায়ীম কর্তৃক বণিত অন্য এক রেওয়ায়েতে আছে- রাসূল (সা) ‘ওয়া আলাইকুমুস সালাম’ বলে জওয়াব দিতেন। জিবরাঈল (আঃ) তাঁকে এ সালাম শিক্ষা দিয়েছিলেন। (খাসায়েসুল কোবরা)

তথ্যসূত্র
রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর জীবনে আল্লাহর কুদরত ও রুহানিয়াত (লেখকঃ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল গফুর হামিদী, প্রকাশকঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ)

'উম্মী' শব্দের অর্থ ও তাৎপর্যঃ


আল্লাহ্ তা‘আলা এরশাদ করেন-

اَلَّذِيْنَ يَتَّبِعُوْنَ الرَّسُوْلَ النَّبِىَّ الْاُمِّىَّ الَّذِيْنَ يَجِدُوْنَهُ مَكْتُوْبًا عِنْدَهُمْ فِىْ التَّوْرَاةِ وَالْاِنْجِيْلِ يَأْمُرُهُمْ بِالْمَعْرُوْفِ وَيَنْهَهُمْ عَنِ الْمُنْكَرِ لَهُمْ الطَّيِّبَتِ وَيُحَرِّمُ عَلَيْهِمْ الْخَبَائِثُ وَيَضَعُ عَنْهُمْ اِصْرَهُمْ وَالْاَغْلَلَ الَّتِىْ كَانَتْ عَلَيْهِمْ ط فَالَّذِيْنَ اَمَنُوْا بِهِ وَعَزَّرُوْهُ وَنَصَرُوْهُ وَاتَّبَعُو النُّوْرَ الَّذِيْنَ اُنْزِلَ مَعَهُ اُولَئِكَ هُمْ الْمُفْلِحُوْنَ
(১৫৭ سوره الاعراف: اية)

তরজমা: ওই সব লোক, যারা দাসত্ব করবে এ রসূল, পড়া বিহীন অদৃশ্যের সংবাদ দাতার যাকে লিপিবদ্ধ পাবে নিজের নিকট তাওরীত ও ইঞ্জীলের মধ্যে; আর পবিত্র বস্তু সমূহ তাদের জন্য হালাল করবেন এবং অপবিত্র বস্তুসমূহ তাদের উপর হারাম করবেন; এবং তাদের উপর থেকে ওই কঠিন কষ্টের বোঝা ও গলার শৃঙ্খল, যা তাদের উপর ছিলো, নামিয়ে অপসারিত করবেন। সুতরাং ওইসব লোক, যারা তাঁর উপর ঈমান এসেছে, তাকে সম্মান করেছে, তাঁকে সাহায্য করেছে এবং ওই নূরের অনুসরণ করেছে, যা তাঁর সাথে অবতীর্ণ হয়েছে তারাই সফলকাম হয়েছে।
— সূরা আ’রাফ: আয়াত- ১৫৭, তরজমা কানযুল ঈমান

প্রথম অর্থঃ
আয়াতে হুযুর পাক (সঃ) কে উম্মী উপাধি দিয়ে আল্লাহ পাক সম্বোধন করেছেন । উম্মী শব্দের একাধিক অর্থ হতে পারে- এটা ‘উম্মুন’ দ্বারা শব্দের সাথে সম্পৃক্ত শব্দ। আরবীতে (উম্মুন) বলে মাকে, আসল বা মূলকে। অর্থাৎ এর অর্থ হচ্ছে মা-বিশিষ্ট নবী। দুনিয়ায় সব মানুষ মা-বিশিষ্টই হয়; কিন্তু যেমন ‘মা’ আল্লাহ্ তা‘আলা হুযূর-ই আকরামকে দান করেছেন, তেমন গোটা দুনিয়ায় কেউ পায়নি। হযরত মরিয়মও ‘মা’-ই ছিলেন। কিন্তু ‘নবীকুল সরদার’ যেমন বে-মেসাল (উপমাহীন), তাঁর আম্মাজানও তুলানাহীন (বে-মেসাল)। কবির ভাষায়-
وه كنوپارى اك مريم وه نَفَخْتُ فِيْهِ كادم هے عجب نشان اعظم مر امنه كا جايا وه هے سب سے افضل ايا
অর্থ: তিনি ওই পবিত্র কুমারী মরিয়ম, তিনি আল্লাহর তা‘আলার বাণী- ‘আমি তার মধ্যে রূহ ‘ফুৎকার করেছি’-এর প্রাণবায়ু বা সারতত্ব। তিনি এক বৃহত্তর নিদর্শনের আশ্চর্যজনক প্রকাশস্থল। (এতে কোন সন্দেহ নেই।) কিন্তু হযরত আমেনার মহান সন্তান (হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম) হলেন সবার সেরা, সবার চেয়ে শ্রেষষ্ঠ হিসেবেচ এ ধরা বুকে তাশরীফ এনেছেন।
যে ঝিনুক নিজের পেটে মূল্যবান মুক্তা ধারণ করে, ওই ঝিনুকও মূলবান হয়ে যায়। যেই বরকতময়ী মা আপন পাক গর্ভাশয়ে ওই অদ্বিতীয় মুক্তাকে ধারণ করেন, তিনি কতই বরকত মণ্ডিত হবেন! (তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।)

দ্বিতীয় অর্থঃ
আরেক বৈশিষ্ট্য ‘পড়াবিহীন’। এর অর্থ হচ্ছে তিনি আপন মায়ের গর্ভাশয় থেকে সর্ববিষয়ে জ্ঞানবান হয়েই ভূমিষ্ঠ হয়েছেন, দুনিয়ার কারো নিকট পড়ালেখা করেন নি, করতে হয়নি। কবি বলেন-
خاك وبراوج عرش منزل – امى وكتاب خانه در دل امى ودقيقه دان عالم – بے سايه وسائبان عالم
অর্থ: তিনি মাটির পৃথিবীতে সদয় অবস্থান করছেন, অথচ আরশের সর্বোচ্চ আসনে আসীন হয়েছেন। তিনি ‘উম্মী’ (দুনিয়ার কোন ওস্তাদের নিকট পড়ালেখা করেননি, কিন্তু তাঁর পবিত্র নূরানী হৃদয়ে রয়েছে বিশালতম কিতাবখানা- (গ্রন্থালয়)
তিনি ‘উম্মী’ উপাধিধারী, অথচ বিশ্বের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ণ বিষয়াদি সম্পর্কে অবগত। তাঁর ছায়া ছিলো না, অথচ সেটা বিশ্বের জন্য বিশাল সামিয়ানা। হুযূর আকরামের ছায়া ছিলো না, কিন্তু সমগ্র দুনিয়ার উপর তাঁর ছায়া রয়েছে।

তৃতীয় অর্থঃ
‘উম্মী’ শব্দের তৃতীয় অর্থ- ‘উম্মুল কোরা’ (মক্কা মুকাররামাহ্)’য় সদয় অবস্থানকারী।

চতুর্থ অর্থঃ
এর চতুর্থ অর্থ- তিনি সমগ্র বিশ্বের মূল।
তথ্যসূত্র
mishukifti.wordpress.com

বিপদে আপদের সময় যেসব দোয়া পড়বেনঃ

বিপদ-মসিবতে পাঠ করার জন্য কতিপয় দোয়া  এবং এর জন্য আমল: ♦১) উম্মে সালমা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ও...