Friday, June 16, 2017

বিপদ-আপদ ও রোগ-ব্যাধি পাপ মোচন করেঃ



হাদীসে বলা হয়েছে ,
আবুল ইয়ামান হাকাম ইব্ন নাফি (র)……..নবী (সাঃ) এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ মুসলমান ব্যক্তির উপর যে সকল বিপদ-আপদ আপতিত হয় এর দ্বারা আল্লাহ্ তার পাপ মোচন করে দেন। এমনকি যে কাঁটা তার শরীরে বিদ্ধ হয় এর দ্বারাও।(সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৭০ :: হাদিস ৫৪৫)


আবূ সাঈদ খুদরী ও আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিত যে, নবী (সাঃ) বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তির উপর যে সকল যাতনা, রোগ ব্যাধি, উদ্বেগ-উৎকন্ঠা, দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও পেরেশানী আপতিত হয়, এমনকি যে কাঁটা তার দেহে বিদ্ধ হয়, এ সবের দ্বারা আল্লাহ্ তার গুনাওসমূহ ক্ষমা করে দেন। (সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৭০ :: হাদিস ৫৪৬)

কা’ব (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাঃ) বলেছেনঃ মু’মিন ব্যক্তির উদাহরণ হল সে শস্যক্ষেত্রের নরম চারা গাছের ন্যায়, যাকে বাতাস একবার কাত করে ফেলে, আরেক বার সোজা করে দেয়। আর মুনাফিকের উদাহরণ, সে যেন ভূমির উপর কঠিনভাবে স্থাপিত বৃক্ষ, যাকে কোন ক্রমেই নোয়ানো যায় না। অবশেষে এক ঝটকায় মূলসহ তা উৎপাটিত হয়ে যায়। যাকারিয়্যা তাঁর পিতা কা’ব (রা) থেকে বর্ণিত তিনি নবী (সাঃ) থেকে আমাদের কাছে এরূপ বর্ণনা করেছেন।( বুখারী ::: হাদিস ৫৪৮) । আবূ 

হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ্ যে ব্যক্তির কল্যাণ কামনা করেন তাকে তিনি মুসীবতে লিপ্ত করেন।(সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৭০ :: হাদিস ৫৪৯)
কাবীসা (র) ও বিশর ইব্ন মুহাম্মদ (র)……… আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাঃ) এর চাইতে অধিক রোগ যাতনা ভোগকারী অন্য কাউকে দেখিনি। (হাদিস ৫৫০)

মুহাম্মদ ইব্ন ইউসুফ (র)…….আব্দুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাঃ) এর পীড়িত অবস্থায় তাঁর কাছে গেলাম। এ সময় তিনি কঠিন জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন। আমি বললামঃ নিশ্চয়ই আপনি কঠিন জ্বরে আক্রান্ত। আমি এও বললাম যে, এটা এ জন্য যে, আপনার জন্য দ্বিগুন সওয়াব রয়েছে। তিনি বললেনঃ হাঁ! যে কোন মুসলিম মুসীবতে আক্রান্ত হয়, তার উপর থেকে গুনাহসমূহ এভাবে ঝরে যায়, যে ভাবে বৃক্ষ থেকে ঝরে যায় তার পাতাগুলো।((সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৭০ :: হাদিস ৫৫১)

আবদান (র)………..আব্দুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) এর কাছে গেলাম। তখন তিনি জ্বরে ভুগছিলেন। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনি তো কঠিন জ্বরে আক্রান্ত। তিনি বললেনঃ হাঁ। তোমাদের দু’ব্যক্তি যতটুকু জ্বরে আক্রান্ত হয়, আমি একাই ততটুকু আক্রান্ত হই। আমি বললামঃ এটি এজন্য যে, আপনার জন্য রয়েছে দ্বিগুন সাওয়াব তিনি বললেনঃ হাঁ ব্যাপারটি এমনই। কেননা যে কোন মুসলিম মুসীবতে আক্রান্ত হয়, চাই তা একটি কাঁটা কিংবা আরো ক্ষুদ্র কিছু হোক না কেন, এর দ্বারা আল্লাহ তার গুনাহগুলোকে মুছে দেন, যে ভাবে গাছ থেকে পাতাগুলো ঝরে যায়। (সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৭০ :: হাদিস ৫৫২)


আবূ মুসা আশ’আরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেনঃ তোমরা ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, রোগীর সেবা কর এবং কয়েদীকে মুক্ত কর।(সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৭০ :: হাদিস
বারা’ ইব্ন আযিব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) আমাদের সাতটি জিনিসের আদেশ দিয়েছেন এবং সাতটি বিষয়ে নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদের নিষেধ করেছেনঃ সোনার আংটি, মোটা ও পাতলা এবং কারুকার্য খচিত রেশমী কাপড় ব্যবহার করতে এবং কাস্সী ও মিয়সারা কাপড় ব্যবহার করতে। আর তিনি আমাদের আদেশ করেছেনঃ আমরা যেন জানাযার অনুসরন করি রোগীর সেবা করি এবং বেশি বেশি সালাম করি।(বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৭০ :: হাদিস ৫৫৪)

জাবির ইব্ন আব্দুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি ভীষনভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লাম। তখন নবী (সাঃ) ও আবূ বকর (রা) পায়ে হেঁটে আমার খোজ খবর নেওয়ার জন্য আমার নিকট আসলেন। তাঁরা আমাকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পেলেন। তখন নবী (সা) অযূ করলেন। তারপর তিনি তাঁর অবশিষ্ট পানি আমার পায়ের উপর ছিটিয়ে দিলেন। ফলে আমি সংজ্ঞা ফিরে পেয়ে দেখলাম, নবী (সা) উপস্থিত। আমি নবী (সা) কে বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার সম্পদের ব্যাপারে আমি কি করবো? আমার সম্পদের ব্যাপারে কি পদ্ধতিতে আমি সিদ্ধান্ত গ্রহন করবো? তিনি তখন আমাকে কোন উত্তর দিলেন না। অবশেষে মীরাসের-আয়াত নাযিল হল।(বুখারী :৭খন্ড:: হাদিস ৫৫৫)

মুসাদ্দাদ (র)…………..আতা ইব্ন আবূ রাবাহ্ (র) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, ইব্ন আববাস (রা) আমাকে বললেনঃ আমি কি তোমাকে একজন জান্নাতী মহিলা দেখাবো না? আমি বললামঃ অবশ্যই। তখন তিনি বললেনঃ এই কৃষ্ণ বর্নের মহিলাটি, সে নবী (সা) এর নিকট এসেছিল্ তারপর সে বললঃ আমি মৃগী রোগে আক্রান্ত হই এবং এ অবস্থায় আমার ছতর খুলে যায়। সুতরাং আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে দু’আ করুন। নবী (সা) বললেনঃ তুমি যদি চাও, ধৈর্য ধারন করতে পার। তোমার জন্য্ থাকবে জান্নাত। আর তুমি যদি চাও, তাহলে আমি আল্লাহর কাছে দু’আ করি, যেন তোমাকে নিরাময় করেন। মহিলা বললঃ আমি ধৈর্য ধারন করবো। সে বললঃ তবে যে সে অবস্থায় ছতর খূলে যায়। কাজেই আল্লাহ্র নিকট দু’আ করুন যেন আমার ছতর খুলে না যায়। নবী (সা) তাঁর জন্য দু’আ করলেন। (সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৭০ :: হাদিস ৫৫৬)।

আতা (র) থেকে বর্নিত আছে যে, তিনি সেই উম্মে যুফার (রা) কে দেখেছেন কা’বার গিলাফ ধরা অবস্থায়। সে ছিল দীর্ঘ দেহী কৃষ্ণ বর্নের এক মহিলা।(বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৭০ :: হাদিস ৫৫৭)

আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (র)………..আনাস ইব্ন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সা) কে বলেত শুনেছি যে, আল্লাহ বলেছেনঃ আমি যদি আমার কোন বান্দাকে তার অতি প্রিয় দু’টি জিনিসের ব্যাপারে পরীক্ষায় ফেলি, আর সে তাতে ধৈর্য ধারন করে, তাহলে আমি তাকে সে দু’টির বিনিময়ে দান করবো জান্নাত। আনাস (রা) বলেন, দু’টি প্রিয় জিনিস বলে তার উদ্দেশ্য হল সে ব্যক্তির চক্ষুদ্বয়। অনুরুপ বর্ননা করেছেন আশ্াস ইব্ন জাবির ও আবূ যিলাল (র) আনাস (রা)-এর সূত্রে নবী (সা) থেকে।(সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৭০ :: হাদিস ৫৫৮)

আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মদীনায় আসলেন, তখন বকর ও বিলাল (রা) জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। তিনি বলেনঃ আমি তাঁদের কাছে গেলাম এবং বললামঃ হে আব্বাজান! আপনি কেমন অনুভব করছেন? হে বিলাল, আপনি কেমন অনুভব করছেন? আবূ বকর (রা)-এর অবস্থা ছিল, তিনি যখন জ্বরে আক্রান্ত হতেন আবৃত্তি করতেনঃ “সব মানুষ সুপ্রভাত ভোগ করে আপন পরিবার পরিজনের মধ্যে, আর মৃত্যু অপেক্ষমান থাকে তার জুতার ফিতার চেয়ে সন্নিকটে।” বিলাল (রা)-এর জ্বর যখন থামত তখন তিনি বলতেনঃ “হায়! আমি যদি লাভ করতাম একটি রাত কাটানোর সুযোগ এমন উপত্যকায় যে আমার পাশে আছে উযখির ও জালীল ঘাস। যদি আমার অবতরণ েহতো কোন দিন মাজিন্নার কূপের কাছে। হায়! আমি কি কখনো দেখা পাব শামা ও তাফীলের।” আয়েশা (রা) বলেন, এরপর আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর কাছে এসে তাকে এদের অবস্থা জানালাম। তখন তিনি দু’আ করে বললেনঃ হে আল্লাহ! মদীনাকে আমাদের কাছে প্রিয় করে দাও, যে রূপে তুমি আমাদের কাছে মক্কা প্রিয় করে দিয়েছিলে কিংবা সে অপেক্ষা আরো অধিক প্রিয় করে দাও। হে আল্লাহ! আর মদীনাকে উপযোগী করে দাও এবং মদীনার মুদ্দ ও সা’ এর ওযনে বরকত করে দাও। আর এখানকার জ্বরকে স্থানান্তরিত করে জুহ্হফা এলাকায় স্থাপন করে দাও।(সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৭০ :: হাদিস ৫৫৯)


উসামা ইবন যায়েদ (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সা) এর এক কন্যা (যায়নাব) তার কাছে সংবাদ পাঠিয়েছেন, এসময় উসামা, সা’দ ও সম্ভবতঃ উবায় (রা) নবী (সা) এর সংগে ছিলেন। সংবাদ ছিল এ মর্মে য (যায়নাব বলেছেন) আমার এক শিশু কন্যা মৃত্যু শয্যায় শায়িত। কাজেই আপনি আমাদের এখানে আসুন। উত্তরে নবী (সা) তার কাছে সালাম পাঠিয়ে বলে দিলেনঃ সব আল্লাহর এখতিয়ার। তিনি যা চান নিয়ে নেন, আবার যা চান দিয়ে যান। তাঁর কাছে সব কিছুরই একটা নির্ধারিত সময় আছে। কাজেই তুমি র্ধৈযধারন কর এবং উত্তম প্রতিদানের আশায় থাকো। তারপর আবারো তিনি নবী (সা) এর কাছে কসম ও তাগিদ দিয়ে সংবাদ পাঠালে নবী (সা) উঠে দাড়ালেন। আমরাও দাড়িয়ে গেলাম। এরপর শিশুটিকে নবী (সা) এর কোলে তুলে দেওয়া হলো। এ সময় তার নিঃশ্বাস দ্রুত উঠানামা করছিল। নবী (সা) এর দু’চোখ বেয়ে অশ্রু ঝরতে লাগলো। সা’দ (রা) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! এটা কি? তিনি উত্তর দিলেনঃ এটা রহমত। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা করেন তার অন্তরে এটিকে স্থাপন করেন। আর আল্লাহ তাঁর মেহেরবান বান্দাদের প্রতিই মেহেরবানী করে থাকেন। (সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৭০ :: হাদিস ৫৬১)


আনাস (রা) থেকে বর্নিত যে, এক ইয়াহুদীর ছেলে নবী (সা) এর খেদমত করত। ছেলেটির অসুখ হলে নবী (সা) তাকে দেখতে এলেন। এরপর তিনি বললেনঃ তুমি ইসলাম গ্রহন করো। সে ইসলাম গ্রহন করলো। সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (র) তাঁর পিতা থেকে বর্ননা করেছেন যে, আবূ তালিব মৃত্যুমুখে পতিত হলে নবী (সা) তার কাছে এসেছিলেন।(সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৭০ :: হাদিস ৫৬৪)

আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (র) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাছে প্রবেশ করলাম। তখন তিনি ভীষন জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। আমি তার গায় আমার হাত বুলালাম এবং বললামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি কঠিন জ্বরে আক্রান্ত। রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন হা। আমি এমন কঠিন জ্বরে আক্রান্ত হই, যা তোমাদের দু’জনের হয়ে থাকে। আমি বললামঃ এটা এ জন্য যে, আপনার জন্য প্রতিদানও হল দ্বিগুন। রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন হাঁ! এরপর রাসূলুল্লাহ (সা) বললেনঃ যে কোন মুসলিম ব্যক্তির উপর কোন যন্ত্রনা, রোগ ব্যাধি বা এ ধরনের অন্য কিছু আপতিত হলে তাতে আল্লাহ তাঁর গুনাহগুলো ঝরিয়ে দেন, যে ভাবে গাছ তার পাতাগুলো ঝরিয়ে ফেলে।(হাদিস ৫৭৫)
মুসলিম ইব্ন ইবরাহীম (রা) ….. আনাস (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আদম সন্তানের বয়স বাড়ে আর তার সাথে দুটি জিনিসও বৃদ্ধি পায়; ধন-সম্পদের মহব্বত ও দীর্ঘায়ুর আকাঙ্খা

আনাস ইবন মালিক (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সা) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ দুঃখ দৈন্যে নিপতিত হওয়ার কারনে যেন মৃত্যু কামনা না করে। যদি এমন একটা কিছু করতেই হয়, তা হলে সে যেন বলেঃ হে আল্লাহ! আমাকে জীবিত রাখ, যতদিন পর্যন্ত আমার জন্য জীবিত থাকা কল্যানকর হয় এবং আমাকে মৃত্যু দাও, যখন আমার জন্য মৃত্যু কল্যানকর হয়।

Wednesday, June 14, 2017

নুর সম্পর্কে 50+ pdf ফাইল ডাউনলোড করুনঃ


এখান থেকে  Download করুনঃ-

পর্ব ১ : www.goo.gl/mGGiai

পর্ব ২ : www.goo.gl/gBVshi


এখান থেকে পোস্ট গুলো পড়ুনঃ-

http://sunni-encyclopedia.blogspot.com/2015/09/blog-post_37.html?m=1










"আমিও তোমাদের মত মানুষ" এই আয়াত সমুহের এর ব্যাখ্যা :



Lecture::Comparable creation(মিছাল মাখলুক) VS uncomparable creation(বেমিছাল মাখলুক) & Who say Rasul صلى الله عليه و آله وسلم is like among us?
By (Masum Billah Sunny)

বিশেষ সতর্কতা ঃঃঃ each line is linked with next line,each step is linked with next step so if u avoid any line u may missunderstand the concept.
এলো পাথারি লাইন ছারলে মিলাতে গিয়ে ভুল করার আশংকা রয়েছে।

'say: i am a man (bashar) like you(bt u doesn't like me), it is revealed (WAHI) to me that your god is One God'.(41:6)

"Say! I am a human being like you,"

similar recitation::
[K'af 18:110]
[Mominun 33-34]
[Hamim sijdah 6]
[Ibrahim 11]
[3:144]



---------------------EXPLAINATION of these ayahs------------------

------------------আয়াত গোলোর ব্যখ্যা ------------------------






যুক্তি সাপেক্ষেঃঃ

হযরত হাওয়া (আঃ সাঃ) আদম সন্তান নন এবং কোন বীর্য দ্বারা সৃষ্টি নয়। তিনি হযরত আদম(আঃ সাঃ) এর বাম পাজরের হাড় দ্বারা সৃষ্টি। (দেখুন তাফসীরে জালালাইন শরীফ) কিন্তু তিনিও মানুষ ছিলেন।

হযরত ঈছা ( আঃ সাঃ)কোন বীর্য দ্বারা সৃষ্টি নন কারণ তাঁর পিতা নেই। তিনি আল্লাহর রুহ যা হযরত জিব্রাইল (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফুকদিয়ে হযরত মরিয়ম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)এর মধ্যে দান করেছিলেন। তা দ্বারা সৃষ্টি কিন্তু তিনিও মানুষ ছিলেন।

তদ্রুপ নবী করীম(সাল্লাল্লা হু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও মাখলুক এমনকি হযরত আদম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সৃষ্টির হাজার হাজার বছর পূর্বে যখন মাটি পানি কিছুই ছিলনা তখন আল্লাহৰ নূর দ্বারা সৃষ্টি।

ওহাবীরা এই আয়াত কপি-পেষ্ট করে সব সময়
قُلْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ يُوحَى إِلَيَّ أَنَّمَا إِلَهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ فَمَن كَانَ يَرْجُو لِقَاء رَبِّهِ فَلْيَعْمَلْ عَمَلًا صَالِحًا وَلَا يُشْرِكْ بِعِبَادَةِ رَبِّهِ أَحَدًا
110
অর্থঃ বলুনঃ আমি ও তোমাদের মতই একজন মানুষ, আমার প্রতি প্রত্যাদেশ হয় যে, তোমাদের ইলাহই একমাত্র ইলাহ। অতএব, যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সাক্ষাত কামনা করে, সে যেন, সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার এবাদতে কাউকে শরীক না করে।

এখানে আরবী শব্দ بَشَرٌ (বাশার) দ্বারা এরা শুধুমাত্র মানুষ বুঝাতে চায়। অথচ সূরা মরিয়মের আয়াত - ১৭ তে بَشَرً (বাশার) দ্বারা ফেরেস্তাকে বুঝানো হয়েছে। দেখুন মূল আরবী রেওয়াত সহ
فَاتَّخَذَتْ مِن دُونِهِمْ حِجَابًا فَأَرْسَلْنَا إِلَيْهَا رُوحَنَا فَتَمَثَّلَ لَهَا بَشَرًا سَوِيًّا
অর্থঃ আমি আমার রুহ (হযরত জিব্রাইল আঃ) কে তাঁর (হযরত মরিয়ম) প্রতি প্রেরণ করেছি, অতঃপর সে (জিব্রাঈল আঃ) তাঁর সামনে একজন পূনাঙ্গ সুঠোম \"বাশার\" বা মানুষ এর আকৃতিতে আত্ম প্রকাশ করেছেন।

ওহাবীরা কি এখন বলবে ফেরেস্তারা (হযরত জীব্রাইল আলাইহিস সালাম) আমাদের মত মানুষ? কখনও নয়।
সুতরাং, এর দ্বারা বুঝা গেল بَشَرٌ (বাশার) শব্দ দ্বারা মানুষ বুঝায় না বরং মনুষ্য আকৃতি বুঝায়।

ওহাবী সাধারণ মানুষদের ধোঁকা দিয়ার জন্য এক আয়াত উল্লেখ করে এবং অপর আয়াত গোপন করে।

আবদুল হক মোহাদ্দেস দেহলবী (মাদারিজুন নবুওত)কিতাবে প্রথম খন্ডের এজালাতুশ সুবহাত অধ্যায়ে বলেন :قل انماانابشرمثلكم
ও কোরানে এইরূপ যতগুলি আয়াত এসেছে,এইগুলি আয়াতে মুতাসাবিহাতের আওতাভুক্ত।

আল্লামা জালালুদ্দিন "সুঅতি"আল এত্কান কি উলুমুল কোরান" ২খন্ড ২য ও ৩য পৃষ্টা তে বলেন আল কোরআনে যে সমস্ত আয়াতেمثلكم শব্দটি এসেছে, এইগুলি আয়াতে মতাসাবিহাতের আওতাভুক্ত।
মতাসাবিহাত এর অর্থ আল্লাহ এবং রাসুল ছাড়া কেও জানেনা,তাই সর্বসন্মতিক্রমে এই আয়াত দ্বারা কোনো দলিল হতে পারেনা।
আল্লাহ তায়ালা মতাসাবিহাত আয়াত সম্পর্কে বলেন :-"যাদের অন্তরে কপটতা রযেছে,তারাই কেবল মতাসাবিহাত এর দলিল গ্রহণ করেন "আল কোরান "
হজরত জিব্রিয়াল (আ ) নবীজির নিকট মানুষ রূপে আসতেন ,তাই বলে কি জিব্রাইল মানুষ?
যুগে যুগে নবীদের কে আমাদের মত বলেছেন ,কাফেররা (সুরা শুরা /সুরা ইয়াসিন)

জালালউদ্দিন রুমী মসনবী সরীফে বলেন- অনুবাদ :
কাফিররাই হজরত আহমদ (দ কে বশর বলেছিল ,কিন্তু তারা দেখে না যে, তিনি চন্দ কে দিখন্ডিত করেছিল,
তারা বলেছিল "আমরা যেমন বশর নবীও আমাদের মত বশর" যেমন-ঘুমাই ,পানাহার করে ,
তারা অগাত ছিল যে ,আমাদের এবং নবীদের মধ্য বেশুরম পার্তক্য রযেছে।


মূর্খদের সাথে তর্ক করতে নিষেধ করা হয়েছে কারন তাদের বদ আকিদার জন্য । সূরা কাহাফ ১১০ নং আয়াতের ব্যাখ্যা আমি(মাসুম বিল্লাহ সানি) দিচ্ছি ।সবাই একমত হবেন।

1.Question:-রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
কি ইনসান নাকি ফেরেশতা ?
Ans:- হ্যাঁ.নিশ্চই তিনি ইনসান।

2.Question:- তাহলে আহলে সুন্নত রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
যে ইনসান এটা মানে না কেন?
Ans:- আহলে সুন্নত আর ওহাবীদের কথায় ছোট একটা প্যাচঁ আছে যা বিশাল ভুল তাই মানে না ।

3.Question:- প্যাচঁটা কি বলবেন কি?
Ans:- তিনি বেমিসাল মাখলুক ।তাই আমাদের মত বলা মানে আমাদের সাথে তুলনীয় ।রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
কে খাট করা হবে । নাউযুবিল্লাহ

4.Question:- তাহলে আল্লাহ আল কোরআনে আমাদের মত বলেছেন কেন ?
Ans:- এর শানে নুযুল গুলো এক এক করে বলুন তো আমাকে তখন নিজেই বুঝে যাবেন ।

5.Question:-আমাকে একটু বুঝিয়ে বলুন ভাই ?
Ans:- দেখুন :
($) ঈসা(আ) এর কিছু মোজেযা ছিল কিন্তু তাই দেখে ওনাকে ইশ্বরের পুএ বলা শুরু করল সবাই ।রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
কে যেন এমনকিছু না মনে করেন সেজন্য কিছু হাদিসে নবী এবং মানুষ এর বেশি না ভাবার জন্য সতর্কও করেছেন ।এর মানে এটাই সীমার বাইরে গিয়ে কেউ যেন কুফরি না করেন ।

($) রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
এর পুরু জিন্দেগি অসিম মোজেযার সাগর তাই দেখে কাফিররা ফতোয়া দিল জাদুকর, রহমতের নবীকে সাধারন মানুষ ভয় পেয়ে দূরে সরতে থাকে তখন সেই পরিস্থিতিতে আল্লাহ কি ওনাকে শিখিয়ে দিয়ে এই আয়াত নাযিল করবেন না যে::

বলুন""হে রাসূল ! আমিও তোমাদের মত মানুষ ""
AL-QURAN

আমাকে উত্তর দিন এ ছাড়া আর কি শ্রেষ্ঠ উত্তর ছিল আল্লাহ কি এমতবস্থায় এই আয়াত নাযিল করবেন না ?

($) বিশ্ববিখ্যাত তফসির রুহুল বয়ান ও জালালাইন শরীফ এ আর ও বলা হয়েছে ।আল্লাহ স্বয়ং রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
এর শিক্ষক । তাই মহান হাবীব(সাঃ) কে তিনি এই বলে বিনীয়তা শিক্ষা দিয়েছেন যে বিশাল মর্যাদার অধিকারী হয়েও রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
এর অন্তর যেন সর্ম্পূণ অহংকার থেকে পবিত্র থাকেন ।

6.Question:- তাহলে রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
তো মানুষ ছিলেন এটা কিভাবে বলা আদব হবে ?
Ans:- এই ভাবে বলবেন যে রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
মানুষ ছিলেন কিন্তু বেমিসাল মাখলুক ।যিনি মর্যাদা পবিত্রতা আখলাক সৌন্দর্য অন্তর বাহির আপাদমস্তকের পবিত্রায় আর সম্মানে কোন দিক দিয়ে কোন দিন আপনে আমার মত নয় ।

Lets see with evidance of Quran hadith--
আসুন এবার কুরান হাদিসের আলুকে যুক্তিসহ মিলিয়ে নেই --
---------------------------------------------------------------------------------------
Who say Rasul صلى الله عليه و آله وسلم is like u & me?

বলুন ," আমি ও তোমাদের মত মানুষ (কিন্তু তোমরা আমার
মত না) ..আমার নিকট ওহী আসে যে তোমাদের ইলাহ এ এক মাত্র
ইলাহ।"
----হামীম- সিজদাহ ৬
----কাহাফ -১১০
" তাদের পয়গাম্বর গণ বললেন,"আমরা ও তোমাদের মতই
মানুষ ...."
----ইব্রাহীম -১১
---------------­--------~~­~~~~~----------­----------
""ওরা বললো," তোমরা তো আমাদের মতই মানুষ..দয়া ময়
আল্লাহ্‌ তো কিছুই অবতীর্ণ করেন নি..."
ইয়াছিন ১৫
ইব্রাহীম ১০
soyara- ১৮৬
হুদ ২৭
---------------­----~~~~~~~~~~-­-------------­----
" যদি তোমরা তোমাদের মতই এক জনের আনুগত্য কর তবে
নিশ্চিত রুপেই তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে..."
মুমিনুন ৩৪
---------------­-------~~~~~~-----------­-----------

-------------------------------Point1:::-((( Different kalema ))))----------
(Differanec of sariyah)

All muslim::: read kalema(((( there is no God except Allah and Hozrot Mohammad(sm) is His Rasul ))))))

Rasul(sm) :: ((( There is no God except Allah and I am His Rasul )))

if any1 read kalema like dis with bliv he'll kafir............

-------------------------------------Point2::------------------------------------------
((( kalema sahadat '''' Ashado allah ilaha illallaho wahdaho la sarikalaho wa ashado anna Mohammadan ABDUHO wa rasul ho )))

(Totallay made him(sm) as a prestige & sariyah)

All creations :: is A'BD/ABDUL means the sarvents who always want to keep Allah happy......

Rasul(sm) :::-- ABDUHO is only only only used in case of 1 sarvent He is Habib of Allah.....Allah always want to keep whom Happy............

----------------------------Point 3:::--((( SALAT ))-------------------------------
(Differance of sariyah))

All muslim :::-- 5 times Salat is FARAZ

Rasul(sm) ::: 6 times salat was FARAZ including TAHAJJUT.........

-----------------Point 4:::--- ((( NIKAH/MARRIAGE ))))---------------------
(Defferance of sariyah)

All muslim ::: can keep 4 wife......

Rasul(sm):: marraige 11 women who r The MOTHER of all bealivers...........

-----------------------Point 5::--- ((( shadow )))-----------------------------
(Defferance of Physical criteria)

All creations ::: have shadow

Rasul(sm) ::: had not any shadow


((( All know that our Beloved Rasul(sm) Had no any Shadow Beacause his Feet to Head was NOOR -
----Asraf Ali Thanvi~Sokore niyamot P 39
----Molla Ali kari(Rah) in Miskat sorhe mirkat )))

-----------------------Point 6::::-- ((( Urine/posrab mubarok )))-----------
(Defferance of physical criteria)

All muslim ::: any1's urine is haram to drink if any1 say halal it will kofr.

Rasul(sm) ::: Umme Aiman(Ra) drank urine of Rasul(sm) for that Jahannam become Haram for Umme Aiman...

-----------------------Point 7:::--((( Blood ))))------------------------------
(Differance of Physical & Sariah's criteria)

All muslim::: It is Haram to drink any1's Blood............
In al quran.......

[Mayidah 3]
[Nazam 118]
[Bakara 173]
[Nahol 115]

Rasul(sm) ::: Malek Ibn Sina(ra) (1 sahabi) drank Rasul's Blood .......

Jahannam became Haram for him......why it was not haram for him if he would a human like us....

-------------Point8:: (((( Rasul(sm). 'S prestige is Above of all )))-------
(Differance of prestige)

Human,
Muslim,
Momin,
Awlia,
Gaous,
Kotob,
Abdal,
Gaousul azom,
Salehin,
Sahedin,
Sohada,
Siddikin,
Tabe tabeye,
Tabeye,
Sahabi,
Ambiya,
Rasul,
Khatemun-nabeyin(sm)

((( I just give some stage here,and here serial also not maintained much good ,,,thus the most uper stage our beloved prophet(sm). )))

-----------Point 9 ::- (( Al Quran sent to Mohammad(sm). ))-------------
(Its diferance of prestige )
not upon us

--------------------------------Point 10::------------------------------

((( Was our Rasul(sm) human like us?I mean is there any Misal/compare of Rasul(sm) with any1 )))

(Its diferance of Both prestige & Physical criteria)

Ans:::
---------------------------------------------------------------------------
----------------"WHO AMONG YOU IS LIKE ME?”----------------
---------------------------------------------------------------------------

((((1)))) Narrated Anas (RA):

The Holy Prophet صلى الله عليه و آله وسلم fasted Al-Wisal on the last days of the month. Some people did the same, and when the news reached the Prophet صلى الله عليه و آله وسلم
he said, " If the month had been prolonged for me, then I would have fasted Wisal for such a long timethat the most exaggerating ones among you wouldhave given up their exaggeration.

[ Bukhari sarif , Volume 9, Book 90, Number 347]

::::::::::::::

((((2)))) I am not like you ; my Lord always makes me eat and drink."
[Bukhari sarif,Volume 9, Book 90, Number 348]

:::::::::::::

((((3))))) Narrated Abu Huraira:

Allah's Apostle forbade Al-Wisal. The people said (to him),
"But you fast Al-'Wisal,"

He said,
"Who among you is like me ?

When I sleep (at night), my Lord makes me eat anddrink. But when the people refused to give up Al-Wisal, he fasted Al-Wisal along with them for two days and then they saw the crescent whereupon the Prophet said, "If the crescent had not appeared I would have fasted for a longer period," as if he intended to punish them herewith.

::::::::::::::::

(((4)))). The Nobel Quran:

"And the chiefs of those people who disbelieved and belied the presence of the Hereafter and whom We gave comfort in the life of the world, said, 'he isnot but a man like you, he eats of that what you eat and drinks of at what you drink ." [23:33]

Allah(SWT) in the Quran mentions and quotes kuffar saying to the Prophets(PBUH) you are a manlike us to deny their Prophethood, to quote just three out of many

:::::::the unbealiver kafir's opinion about rasul(as):::::

------Namrood and company says to Ibraheem (A)you are a man(bashar) like(missal) us. (11:27)
:::::::::::::::

-------Firaun and company says to Moosa (A) you are a man(bashar) like(missal) us.(26:186)
:::::::::::

-------Abu Jahal and co says to Muhammad Mustafa(S): you are a man (bashar) like(missal) us.

(((((((((((((--------------------------------------)))))))))))))))))

((((((5)))))) Hazrat Abu Hurairah (R.A) states that when the Beloved Prophet (s.a.w) smiled, the walls use to glow with his Noor.

- (Muwahibul Laduniya; Shifa Shareef)

::::::::::::::

((((6)))))) Ummul Mumineen, Hazrat Aisha (R.A) is recorded to have said: "In total dark nights,I used to put the thread into a needle with the help of the Noor of Rasulallah (s.a.w)."
- (Shara Shifa Bar Hashia Naseemur Riaz)

::::::::::::

(((((7)))))) Hazrat Anas (R.A) states that the day in which the Rasulallah (s.a.w) arrived in Madinatul Munawwarah, everything in Madinatul Munawwarah became bright through his Noor.

- (Tirmizi Shareef; Ibn Majah)

::::::::::::

(((((8))))))“ Muhammad صلى الله عليه و آله وسلم was born without an umbilical (navel) cord, circumcised and his body miraculously pure and clean without any kind of blood or dirt on it.”
(Ibn Hisham, Sirat al Nabi - Ibn Sa’d, Kitab ul-Tabaqat ul-Kabir)
---------------------------------------------------------------------------:::
Hadith from sahih Bukhari Sarif~~~~
:::::::::::::
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.182
----------------
Narrated Anas:

The Prophet said, "Do not practice al-Wisal (fasting continuously without breaking one's fast in the evening or eating before the following dawn)." The people said to the Prophet, "But you practice al-Wisal?"The Prophet replied, " I am not like any of you , for I am given food and drink (by Allah) during the night." (Qala: Lastu Ka ahadin minkum).

:::::::::
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.183
-------

Narrated Abdullah Ibn Umar:
Allah's Apostle forbade al-Wisal. The people said(to him),"but you practice it?" He said, " I am not like you , for I am given food and drink by Allah." (Qala: Inni lastumithlikum).

::::::::::
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.184
---------

Narrated Abu Sa'id:
That he had heard the Prophet saying, "Do not fast continuously (practice al-Wisal), and if you intend to lengthen your fast, then carry it on only till the Suhur (before the following dawn)." The people said to him,"But you practice (Al-Wisal), O Allah's Apostle!" He replied, " I am not similar to you , for during my sleep I have One Who makes me eat and drink." (Qala: Inni lastu ka Hay'atikum).
:
:::::::::

~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.185
---------
Narrated Aisha:
Allah's Apostle forbade al-Wisal out of mercy to them. They said to him, "But you practice al-Wisal?" He said," I am not similar to you , for my Lord gives me food anddrink." (Qala: Inni lastu ka Hay'atikum)

:::::::::::::::

~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.187

------------

Narrated Abu Huraira:
The Prophet said twice, "(O you people) Be cautious! Do not practice al-Wisal." The people said to him, "But you practice al-Wisal?" The Prophet replied, "My Lord gives me food and drink during my sleep. Do that muchof deeds which is within your ability ."

:::::::::::::::

~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.188
---------------

Narrated Abu Said al-Khudri:
Allah's Apostle said, "Do not fast continuously day and night (practice al-Wisal) and if anyone of you intends tofast continuously day and night, he should continue tillthe Suhur time." They said, "But you practice al-Wisal, O Allah's Apostle!" The Prophet said,
" I am not similar to you ; during my sleep I have One Who makes me eat and drink.

----------------------------------------------------------------------------

-----------Point 11: Rasul(sm) Noore Mujassam/Noorul Basar :----------
....we r all from created from soil....

See dis lecture.................

(((( http://m.facebook.com/photo.php?fbid=346972285403486&id=100002721537813&set=a.153621461405237.23730.100002721537813&_mn_=5&refid=17 )))))

(((((((((Shortly combined many hadith just the view point if u want to see the full hadith u can search in net )))))))))))))

---lecture বড় হ্বার আশঙ্কায় বিশাল বড় বড় হাদিসের view point গুলো দেখেন ~~~~
হযরত মুহাম্মাদ(সা:) বলেন ,"
তোমাদের কে আছো আমার মত ?"
--------------- ­------------~~ ~­~~~~--------- --­---------
"আমি তোমাদের কারো মত না ! "
--------------- ­----~~~~~~~~~~ ~­------------- --­-----
" তোমাদের কেহ আমার অনুরূপ( সাদ্রিস,শামিল,এ ­ক রকম) না,
আমি যখন রাতে ঘুমাই তখন আল্লাহ্‌ আমাকে আহার

করান এবং পান করান "
--------------- ­----~~~~~~~~~~ ~­------------- --­---
Referance:::::- ­-------
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.183
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.182
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.188
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.185
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.184
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.187
~~Bukhari sarif,Volume 9, Book 90, Number 348
~~Bukhari sarif,Volume 9, Book 90, Number 347
--------------- ­~~~~~~~~~~~--- -­------------- --­--

Allah is great who Created his Habib(SAW) as a Bemisal Makhlok.......subhanallah
Allah knows the best.



দুরুদে মোকাদ্দাসের ফজিলত ও সম্পুর্ন দুরুদ শরীফ.pdf

Tuesday, June 13, 2017

সমস্ত কিতাব ডাউনলোড লিংকঃ

জগতখ্যাত ইমামগনের তালিকা ও তাদের লিখিত তফসীর, হাদিসগ্রন্থ ও হাদিসের ব্যাখ্যাগ্রন্থ সমুহ এক নজরেঃ







শুধু কি সিহাহ সিত্তার ইমামগন ছাড়া আর কোন নির্ভরযোগ্য কিতাব নেই? উত্তর: অসংখ্য নির্ভরযোগ্য কিতাব রয়েছে। তাদের নাম :-
হাদিস শাস্ত্রের বিখ্যাত ইমামগন :
★ ইমাম আবু হানীফা [নুমান ইবনে সাবিত] : ৮০-১৫০ হি:
★ ইমাম মালেক : ৯৫-১৭৯ হি:
★ ইমাম আবু ইউছুফ [ইয়াকুব ইবনে ইব্রাহীম ইবনে আনসারী] : ১১৩ - ১৮২ হি: 
★ ইমাম মুহম্মদ শায়বানী [আবু আব্দুল্লাহ ইবনে হাসান ইবনে ফিরকাদ কুফী] : ১৩২/১৩৫-১৮৯ হি:
★ ইবনে জা'আদ [আবুল হাসান আলী ইবনে জা'আদ ইবনে উবাইদী জাওহারী] : ১৩৩-২৩০ হি:
★ ইমাম তায়ালসী [আবু দাউদ সুলায়মান ইবনে দাউফ জারুদ] : ১৩৩-২০৪ হি 
★ হাকিম তিরমিজি [আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে হাসান ইবনে বশীর] : জন্ম ১৩৩-১৪৩ হি: ওফাত ২৫৫ হি:
★ ইমাম ইবনে সা'দ [আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ] :১৬৮-২৩০ হি:
★ সা'ইদ বিন মানসুর [আবু ওসমান খোরাসানী] : ওফাত ২২৭ হি:
★ ইমাম শায়বানী : ৭৪৯/৭৫০-৮০৫ AD
★ আব্দুল্লাহ বিন মুবারক [আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াদ্বেহ আল-মারওয়াযী] : ১১৮-১৮১ হি:
★ ইমাম আব্দুর রাজ্জাক [আবু বকর ইবনে হুম্মাম ইবনে নাফে সুনআনী] : ১২৬ - ২১১ হি : 
★ ইমাম শাফেয়ী [আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রীস ইবনে আব্বাস ইবনে ওসমান ইবনে শাফেয়ী কারশী ] : ১৫০-২০৪ হি:
★ ইমাম আহমদ বিন হাম্বল : ১৬৪-২৪১ হি:
★ ইমাম তায়লাসী : ওফাত- ২০৪ হি:
★ ইমাম হুমায়দী : ওফাত ২১৯ হি:
★ ইমাম ইবনে আবী শায়বাহ [আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহীম ইবনে ওসমান কুফী] : ১৫৯ - ২৩৫ হি:
★ আবদু ইবনে হুমাইদ [আবু মুহাম্মদ ইবনে নসর আল-কাসী] : ওফাত ২৪৯ হি:
★ ইমাম দারিমী [আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান] : ১৮১- ২৫৫ হি:
★ ইমাম বুখারী [আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল বুখারী] : ১৯৪-২৫৬ হি:
★ ইমাম আবু হাতিম (রহ) [১৯৫-২৭৭ হি: যিনি ৩ লক্ষ হাদিসের হাফিজ ছিলেন]
★ ইমাম আবু দাউদ [সুলাইমান ইবনে আসআছ সাজিসতানী] : ২০২-২৭৫ হি:
★ ইমাম মুসলিম [মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ আল-কুশাইরি] :২০৪/২০৬ -২৬১ হি:
★ ইমাম তিরমিযী [আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে সওরাহ ইবনে মুসা] : ২১০- ২৭৯ হি:
★ আবু ই'য়ালা [আহমদ ইবনে আলী ইবনে মুসান্ন ইবনে ইয়াহহিয়া ইবনে ঈসা ইবনে হেলাল মুসিলী] : ২১০-৩০৭ হি:
★ বাযযার : ইমাম আবু বকর আহমদ ইবনে ওমর ইবনে আব্দুল খালেক বসরী : ২১০-২৯২ হি: 
★ ইমাম ইবনে মাজাহ [আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ কাযভীনি] : ২০৯ - ২৭৩ হি:
★ ইমাম আবি আছিম [আবু বকর আহমদ ইবনে আমর দাহহাক ইবনে মুখাল্লাদ শায়বানী] : ২০৬-২৮৭ হি:
★ ইমাম আবু বকর আহমদ ইবনে ওমর ইবনে আব্দুল খালেক বসরী : ২১০- ২৯২ হি:
★ হুমাইদী [আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর] : ওফাত ২১০ হি:
★ ইবনে হিব্বান [আবু হাতেম মুহাম্মদ ইবনে হিব্বান ইবনে আহমাদ ইবনে হিব্বান] : ২৭০-৩৫৪ হি:
★ ইমাম নাসায়ী [আহমাদ ইবনে মাআ'ঈব] : ২১৫-৩০৩ হি:
★ ইমাম তাবারী [আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে জারির ইবনে ইয়াজিদ] :২২৪-৩১০ হি: 
★ ইমাম রুইয়ানী [আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে হারুন] : ওফাত ৩০৭ হি:
★ ইমাম ইবনে খুযাইমাহ [আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক] : ২২৩ - ৩১১ হি:
★ ইমাম ত্বাহাবী : ২২৯- ৩২১ হি:
★ ইমাম তাবরানী [আবুল কাসেম সুলাইমান ইবনে আহমদ ইবনে আইয়্যুব] : ২৬০- ৩৬০ হি:
★ ইবনে কানে'ঈ [আবুল হোসাইন আব্দুল বাকী] : ২৬৫-৩৫১ হি:
★ দারে কুতনী [আবুল হাসান আলী ইবনে ওমর ইবনে আহমদ ইবনে মাহদী মাসউদ ইবনে নু'মান] : ৩০৬-৩৮৫ হি:
★ ইমাম হাকিম [আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল হাকিম নিশাপুরী] : ৩২১-৪০৩/৪০৫ হি: (আল- মুস্তাদরিক এর প্রনেতা) 
★ সিরাজী : [আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুসা] : ৪০৭ হি:
★ ইমাম ইবনে হিব্বান : ৩৫৪-৪৬৫ হি:
★ ইমাম হাকিম : ৩২১-৪৫০ হি:
★ ইবনে আব্দুল বার [আবু উমর ইউসুফ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ] : ৩৬৮-৪৬৩ হি:
★ ইমাম খতিব আল বাগদাদী [আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত ইবনে আহমাদ ইবনে মাহদী ইবনে সাবিত] : ৩৯২-৪৬০/৪৬৩ হিঃ
★ ইমাম বায়হাকী [আবু বকর আহমদ ইবনে হোসাইন ইবনে আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুসা] : ৩৮৪- ৪৫৮ হি:
★ ইমাম আবু নুয়াইম আল ইস্পাহানী [আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে ইসহাক ইবনে মুসা ইবনে মেহরান ইসবাহানী] : ৩৩৬-৪৩০ হি:
★ কদ্বায়ী : [আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে সালামাহ ইবনে জাফর ] : ওফাত ৪৫৪ হি:
★ দায়লামী [আবু সুজা শেরওয়াই ইবনে শহরদার ইবনে শেরওয়াই হআমদানী] : ৪৪৫-৫০৯ হি: 
★ ইমাম বাগবী : আবু মুহাম্মদ হুসাইন ইবনে মাসউদ ইবনে মুহাম্মদ : (মিশকাত এর প্রনেতা) [৪৩৩/৪৩৬ - ৫১৬ হি:]
★ ইবনে আসাকির : ৪৯৯-৫৭১ হি:
★ ইমাম আবুল ফারাহ আল্লামা ইবনে জাওজী : ৫০৮-৫৯৭ হি: 
★ মনযুরী [আবু মুহাম্মদ আব্দুল আব্দুল আজীম ইবনে আব্দুল কাভী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনে সা'দ] : ৫৮১-৬৫২ হি:
★ খাওয়ারজামী [আব্দুল ম'আয়্যিদ মুহাম্মদ ইবনে মাহমুদ] : ৫৯৩-৬৬৫ হি:
★ ইমাম খতিব তিবরিযী : ওফাত ৭৪১ হি:
★ ই


শরহে হাদিস গ্রন্থ :
★ ইমাম নববী : [৬৩১-৬৭৭ হি:] : প্রনীত ব্যাখ্যাগ্রন্থ সমুহ :
★ শারহু সহীহ্‌ আল-বুখারী (বুখারী শরীফের ব্যাখ্যা)
★ শারহু সুনানে আবু দাউদ (সুনানে আবু দাউদের ব্যাখ্যা)
★ কিতাবুল ঈমান - كتا ب الايمان (বুখারী শরীফের ব্যখ্যা)
★ আল-মিনহাজ ফি শারহু মুসলিম ইবনে আল-হিজাজ - المنهج في شرح مسلم ابن الحجا ج (মুসলিম শরীফের ব্যখ্যা)
★ শারহুল মুহাযযাব - شرح المهذب
(http://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A7%80)
★ ইমাম বদরুদ্দিন আঈনী [৭৬২-৮৫৫ হি:] :
উমদাতুল কারী শরহে বুখারী
★ আসকালানী [৭৭৩-৮৫২ হি:] : ফতহুল বারী শরহে বুখারী
★ ইমাম সুয়ুতী : [৮৪৯-৯১১ হি:] : শরহুস সুনান ইবনে মাজাহ
★ ইমাম কুস্তালানী : [৮৫১-৯২৩ হি:] : ইরশাদুস সারী শরহে বুখারী
★ মুনাভী :[৯৫২-১০৩১ হি:] : ফয়জুল কাদির শরহে জামেউস সাগীর
★ ইমাম যুরকানী : [১০৫৫-১১২২ হি:] : শরহুল মু'আত্তা
★ মোল্লা আলী কারী : [১০১৪-১২০৬ হি:] : মিরকাতুল মাফাতিহ শরহে মিশকাতুল মাফাতিহ
★ মুবারকপুরী : [১২৭৩-১৩৫৩ হি:] : তুহফাতুল আহওয়াযী বি শরহে জামেউত তিরমিযি




তফসীর ও উলুমুল কোরআন :

★ ইমাম আব্দুর রাজ্জাক : ওফাত ২১১ হি :
★ ইমাম ইবনে জারির ত্বাবারী : ওফাত ৩১০ হি: 
★ ইমামে আহলে সুন্নত ইমাম মাতুরিদী : ৩৩৩ হি:
★ ইমাম আবু লাইস সমরকন্দী : ওফাত ৩৭৩ হি:
★ ইমাম আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ মাখলুফ ছা'লাভী : ওফাত ৪২৭ হি:
★ ইমাম আলী বিন আহমদ আল ওয়াহেদী আল নিশাপুরী আশ শাফেয়ী : ওফাত ৪৩৮ হি:
★ ইমাম আবুল হাসান মাওয়ারিদী : ওফাত ৪৫০ হি: 
★ ইমাম আবু মুজাফফর মারওয়াজী সামআ'নী তায়মী হানাফী : ওফাত ৪৮৯ হি:
★ ইমাম বাগভী : ওফাত ৫১০ হি: 
★ ইমাম আবুল ফারাহ জাওজী : ওফাত ৫৯৭ হি:
★ ইমাম ফখরুদ্দিন রাজী : ওফাত ৬০৬ হি: 
★ ইমাম ইবুদ্দিন বিন আব্দুস সালাম দামেস্কী : ওফাত ৬৬০ হি:
★ ইমাম কাজী নাসীরুদ্দিন বাযযাভী : ওফাত ৬৮৫ হি :
★ ইমাম জুযী কালবী : ওফাত ৭৪১ হি: 
★ ইমাম খাজেন : ওফাত ৭৪১ হি:
★ ইমাম কুরতুবী আল মালিকী : ওফাত ৭৬১ হি:
★ ইমাদুদ্দীন ইবনে কাসীর : ওফাত ৭৭৪ হি:
★ ইমাম নিজামুদ্দীন নিশাপুরী : ওফাত ৮৫০ হি: 
★ ইমাম আবি বকর আল-বাকি : ওফাত ৮৫৫ হি:
★ ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ুতী : [৮৪৯-৯১১ হি:] : 
★ ইমাম শামসুদ্দীন মুহাম্মদ বিন আহমদ খতিব শরবীনী : ওফাত ৯৭৭ হি:
★ ইমাম আবুস সউদ উমাদী : ওফাত ৯৮২ হি:
★ আল্লামা মাহদী আল ফাসী সুফী : ওফাত ১২২৪ হি:
★ কাজী সানাউল্লাহ পানিপথী : ওফাত ১২২৫ হি:
★ ইমাম সাভী আল- মালেকী : ওফাত ১২৪১ হি:
★ কাজী শাওকানী : ওফাত ১২৫০ হি:
★ আল্লামা মাহমুদ আলুসী : ওফাত ১২৭০ হি:
★ আশরাফ আলী থানভী : ১৮৬৩- ১৯৪৩ ইং
★ ইমামে আহলে সুন্নত নইম উদ্দীন মুরাদাবাদী : ১৮৮৭-১৯৪৮ ইং 
★ মুফতি শফী দেওবন্দী : মৃত্যু ১৯৭৬ ইং
★ আবুল আলা মওদুদী : ১৯০৩-১৯৭৯ ইং
---------------------------
★ Tanwir al-Miqbas ("Tafsir Ibn Abbas") by Abd Allah ibn Abbas (d. 68/687)
★ Tafsir al Kabir ("The Great Interpretation") by Muqatil ibn Sulayman (80-150AH).
★ Tafsir Imam Ja'far al-Sadiq by Ja'far al-Sadiq (83-148AH).
★ Ma'ani al-Qur'an ("The Meaning of The Qur'an") by Yahya ibn Ziyad al-Farra (207AH).
★ Tafsir al-Tabari ("The Al-Tabari Interpretation") by Muhammad ibn Jarir al-Tabari (224-310 or 838-923CE).
★ Nukat al-Qur'an al-Dallah ala al-Bayan by Al-Qassab (d. 360AH/970CE)
★ Ahkam al-Qur'an ('The Commands of the Quran') by al-Jassas (d. 370AH/981CE). Based on the legal rulings of the Hanafi school of Islamic law.
★ Tafsir Furat Kufi (9th-10th Century CE) by Furat Ibn Furat Ibn Ibrahim al-Kufi.
★ Tafsir al-Thalabi by Ahmad ibn Muhammad al-Tha'labi (died 427AH/1035CE). Also known as al-Tafsir al-Kabir ('The Great Commentary').
★ Ma'alim al-Tanzil by Hasan bin Mas'ud al-Baghawi (died 510AH/1116CE) also known widely as Tafsir al-Baghawi - A popular tafsir amongst Sunni Muslims, it relies heavily on the Tafsir of al-Tha'labi.
★ Al-Kashshaaf ('The Revealer') by Al-Zamakhshari (d. 1144CE).
★ Ahkam al-Qur'an by Abu Bakr ibn al-Arabi (d.543AH/1148CE). The author is also known as 'Qadi ibn al-Arabi' (ibn Arabi, the judge).
★ Al-Muharrar al-wajiz fī tafsir al-kitab al-aziz ('The Concise Record of the Exegesis of the Noble Book'), commonly known as Tafsir ibn 'Atiyyah after its author, Ibn Atiyyah (d. 541 or 546AH)
★ Zad al-Masir fi Ilm al-Tafsir by the great Hanbali polymath Abu'l-Faraj ibn al-Jawzi (d. 597AH).
★ Al-Jami' li-Ahkam al-Qur'an ("The collection of Qur'anic Injunctions") by al-Qurtubi (1214-1273CE)
★ Anwar al-Tanzil' by Abdullah bin Umar al-Baidawi (d. 685AH/1286CE), also famous as Tafsir al-Baidawi - a shortened version of Al-Kashshaf,
★ Al-Bahr al-Muhit by Abu Hayyan al-Gharnati (d. 745AH/1344CE)
★ Tafsir ibn Kathir ("The Ibn Kathir Interpretation") by Ibn Kathir (1301-1373CE).
★ Irshad al 'Aql as-Salim ila Mazaya al-Qur'an al-Karim by Abdul Su'sud Al-Imadi (d.911AH/1505CE). Also known as Tafsir Abi Sa'ud.
★ Tafsir al-Jalalayn ('The Commentary of the Two Jalals') by Jalaluddin al-Mahalli (in 1459), and was subsequently 
completed, in the same style, by his student, the famous Shafi'i scholar Al-Suyuti (d. 911AH/1505CE), who completed it in 1505.
★ Dur al-Manthur ('The Threaded Pearl Concerning Commentary Based on Traditions'), also by Al-Suyuti.
★ Ruh al-Bayan by Ismail Hakki Bursevi (d.1725CE).A ten-volume Arabic work by the founder of the Hakkiyye Jelveti Sufi Order from Turkey.
★ Al-bahr al-Muhit ('The Encompassing Ocean') by Ahmad ibn Ajiba (



Wednesday, June 7, 2017

গাউসুল আজম হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ) এর শানঃ-



হযরত খাজা নিজামুদ্দিন আউলিয়া (রহঃ) বলেন -
একবার গাউসুল আজম হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ) এর একজন আশেক ওনার খানকায় গেলেন, দেখলেন এক ব্যক্তি হাত-পা ভাঙা খুব করুণ অবস্থায় ছটফট করছে। গাউসে পাক (রহঃ) এর নিকট আরজ করলেন, ইয়া গাউসে আজম (রহঃ) আপনার দরবারে এসেছে, হাত-পা ভাঙা, বড়ই করুণ অবস্থা আছে, ওনার কি হয়েছে? দয়া করে ওনাকে সাহায্য করুন। 
গাউসে আজম (রহঃ) ফরমান, সে আবদাল (অলি) ছিল। 
তিন আবদাল আমার খানকার উপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল। 
দুইজন আবদাল দেখেছেন এখানে গাউসুল আজম (রহঃ) এর খানকা ! (আদবের সহিত) একজন ডানদিকে সরে গিয়েছেন, আরেকজন বামদিকে সরে গিয়েছেন, তৃতীয়জন বলল আমি নিজেই একজন আবদাল (অলি) আমি কেন গাউসের আদব করব? ওই আবদাল আসমান থেকে আমার খানকার উপর হাত-পা ভাঙা অবস্থায় লুটিয়ে পড়ল। (সুবাহানাল্লাহ এই গাউসে পাকের শান)



আউলিয়ায়ে কেরামের গোস্তাখকারীগণ শুনে রাখো!
আসমানে থাকা আবদাল গাউসে পাকের শানে গোস্তাখী করায় যদি এমন করুণ হালাত হয়, জমিনে থাকা কিরা (ওহাবী-সালাফী) তোমরা যারা গাউসে পাকে শানে কুটুক্তি করো তোমাদের কি হবে?


বিপদে আপদের সময় যেসব দোয়া পড়বেনঃ

বিপদ-মসিবতে পাঠ করার জন্য কতিপয় দোয়া  এবং এর জন্য আমল: ♦১) উম্মে সালমা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ও...